বিভিন্ন বিষয়ে রাজনৈতিক বিরোধের কথাবার্তা জারি রেখেও প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সংস্কারের কর্মসূচিতে সমর্থন দিতে শুরু করেছে তৃণমূল। কয়লা ও খনি বিলে সরাসরি সমর্থন দেয়ায় কংগ্রেস মোদীর সঙ্গে মমতার আপসের অভিযোগ করেছে। কয়েক দিন আগেই রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করে বীমা বিল পাসে সুবিধা করে দিয়েছিল তৃণমূল। গতকাল রাজ্যসভায় কয়লা ও খনি বণ্টন বিলগুলোতে সরকারকে সরাসরি সমর্থন দিয়েছে মমতার দল। কংগ্রেস ও বামেরা বিরোধিতা করলেও রাজ্যসভায় বিলগুলো আটকানো যায়নি। তৃণমূল ছাড়া সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজ পার্টি, এনসিপি-ও বিলে সমর্থন দিয়েছে। ওয়াকআউট করেছে জেডিইউ। — খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।
এ দিন কংগ্রেস যখন সরকারের বিরোধিতা করছে, তখন রাজ্যসভায় অনুপস্থিত ছিলেন তাদের ১৪ জন সংসদ সদস্য। এ নিয়ে দলের মধ্যে হইচই শুরু হয়ে যায়। পরে দেখা যায়, দলের সদস্যদের সংসদে হাজির থাকার জন্য হুইপ জারি করতেই ভুলে গিয়েছেন নেতা সত্যব্রত চতুর্বেদী! খনি বিল এবার পেশ হবে লোকসভায়। যেখানে বিল পাস করানোর ক্ষেত্রে তেমন কোনো সমস্যাই নেই সরকারের।
জমি বিল নিয়ে সোনিয়া গান্ধীর নেতৃত্বে সংসদ থেকে রাষ্ট্রপতি ভবন পর্যন্ত পদযাত্রায় বিরোধী দলগুলোর ঐক্য ফুটে উঠেছিল। এ দিন যদিও খনি ও কয়লা খনি বণ্টন বিলে একেবারে উল্টো ছবি। ফলে শুরু হয়েছে দোষারোপ। জমি অর্ডিন্যান্স রুখে দিতে সংসদে বিরোধী ঐক্যের জন্য তৃণমূলকে এখনও প্রয়োজন সোনিয়া গান্ধীর। কিন্তু খনি ও কয়লা খনি বণ্টন বিলে তৃণমূল সায় দেয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা। দিগ্বিজয় সিংহের অভিযোগ, “কয়লা ও খনি বিল নিশ্চিতভাবেই রাজ্যের অধিকারকে খর্ব করছে। কিন্তু সব জেনেও রাজনৈতিক কারণে কেন্দ্রের সঙ্গে আপস করল তৃণমূল।”
বিলগুলো সমর্থনের প্রশ্নে তৃণমূল নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েনের যুক্তি, “সিলেক্ট কমিটির সুপারিশ অনেকটাই মেনে নিয়েছে সরকার। বিষয়টা দু’ভাবে দেখা যেতে পারে। গ্লাস অর্ধেক ভর্তি বা অর্ধেক খালি।
