ডলফিন ও ছোট তিমির মতো সামুদ্রিক প্রাণীগুলো শিকার করার সময় কীভাবে ধ্বনি তরঙ্গ ব্যবহার করে তা ডেনমার্কের গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন। খবর বিবিসি’র।
এসব প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণীগুলো শিকারের কাছ থেকে শব্দ সনাক্ত করেই শিকার ধরে এবং ঘর্ঘর করে খেয়ে ফেলে।
এই গবেষণায় গবেষকরা দেখতে পান - এসব প্রাণীগুলো অবস্থান পরিবর্তন করে সঙ্কীর্ণ থেকে চওড়া শব্দের রশ্মি তৈরি করে - ফ্লাশলাইট সমন্বয় করার মত - যেন ফাঁদে পড়া মাছগুলো ফাঁদে ফেলা মাছের মধ্যে বাসায় ফিরেছে ।
গবেষকরা মনে করেন যে আক্রমণের চূড়ান্ত পর্বে অন্য তিমি এবং ডলফিনগুলো শিকারকে ফাঁদে ফেলতে ‘ ধ্বনি তরঙ্গ’র সম্ভবত একই রকম কৌশল ব্যবহার করে।
গবেষণাটি এসব প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণীর শিকার ধরার কৌশল পরিহারে সহায়তা করতে পারবে।
এসব গোপনীয় শব্দের বিস্তারিত প্রকাশ্যে আসায় গবেষকরা আশা করছেন দাঁত বিশিষ্ট এবং অন্যান্য দাঁতবিশিষ্ট তিমির মাছের জালের ফাঁদে পড়া থেকে প্রতিরোধের পথ উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা হিসেবে কাজ করবে।
আরহুস ইউনিভার্সিটি’র ডানুটা ওইসনিয়েওয়াস্কা পরিচালিত গবেষণা কর্মটি দ্য জার্নাল ইলাইফে প্রকাশিত হয়েছে।IMG0
