বাংলাদেশে ব্লগারদের স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের ক্ষমতা সীমিত হয়ে আসছে। সম্প্রতি দেশটিতে দুই জন ব্লগারকে হত্যা করার পর এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি দেশটিতে ধর্মীয় বিতর্কও শুরু হয়েছে। রবিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশি-আমেরিকান ব্লগার অভিজিত্ রায়কে ঢাকার রাস্তায় কুপিয়ে হত্যা করা হয়। অভিজিত্ একটি ধর্মনিরপেক্ষ ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। অভিজিেক হত্যার কিছুদিন পরই আরেক ব্লগার ওয়াশিকুর রহমানকেও তার পরিণতি বরণ করতে হয়। ধর্মের উপর সমালোচনামূলক লেখালেখির জন্যই তাদের দুইজনকে হত্যা করা হয়। ধর্মনিরপেক্ষ ব্লগাররা ধর্মকে রাজনীতির বাইরে রাখতে চান। আর অন্য পক্ষ চায় ধর্মকে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করতে এবং ধর্মকে রক্ষায় ব্লাসফেমি আইন প্রণয়ন করতে।
এই গল্পের ইতিহাসটা হলো ১৯৭১ সালে যখন বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতার জন্য পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করে। বাংলাদেশে বিরোধী রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীর গুরুত্বপূর্ণ নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামান যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে ওই সময়ের গণহত্যার জন্য অভিযুক্ত হয়েছেন এবং সুপ্রিম কোর্টে তার আপিল আবেদনও খারিজ হয়েছে। উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে কামারুজ্জামানের ফাঁসিও কার্যকর হয়েছে।
