গোপালগঞ্জ এলাকার অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবদল নেতা ও পৌর কাউন্সিলরের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের এক এসআই ও সাংবাদিক আহত হন। এ সময় ১০ টি দোকানপাট ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ার সেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ ও মুকুল নামে এক বিএনপি কর্মীসহ ৬ জনকে আটক করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আহতদের গোপালগঞ্জ আড়াই শ’বেড জেনারেল হাসপাতাল ও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
বৃহস্পতিবার বিকালে শহরতলীর মন্দারতলায় এ সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, এলাকার অধিপত্য নিয়ে গোপালগঞ্জ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এম মাহাবুব আলী সোহেল ও বোড়াশী ইউপি চেয়ারম্যান এমএম মুনির আহম্মেদ ননী ছোট ভাই জেলা যুবদলের সহসভাপতি শাহরিয়ার হোসেন তুষারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এ ঘটনার জের ধরে দু’ পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হলে অন্তত ২৫ জন আহত হয়। ভাংচুর করা হয় ১০ টি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মুকুলসহ ৬ জনকে আটক ও বেশ কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট ও টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এতে পুলিশের এসআই আক্তারুজ্জামান লিটন ইটের আঘাতে ও ছবি তুলতে গিয়ে একটি দৈনিকের প্রতিনিধি আনিসুর রহমান কাজল পুলিশের লাঠি চার্জে আহত হন।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. সেলিম রেজা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন শান্ত। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
