দক্ষিণ চীন সাগরের দ্বীপ নিয়ে মার্কিন হুঁশিয়ারি, ক্ষুব্ধ চীন

আপডেট : ৩১ মে ২০১৫, ০২:১৮

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাশটন কার্টার বলেছেন, বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের কৃত্রিম দ্বীপ নির্মাণ এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করবে। গতকাল শনিবার সিঙ্গাপুরে ‘সাংরি লা ডায়ালগ’ শীর্ষক নিরাপত্তা ফোরামের বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন। তার এই বক্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছে চীন। খবর রয়টার্সের।

 

প্রতিরক্ষামন্ত্রী কার্টার স্বীকার করেন, অনেক দেশই চীন সাগরে পর্যবেক্ষণ ফাঁড়ি তৈরি করছে। তবে চীন সেখানে যে কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করছে তাতে ভবিষ্যতের জন্য শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি জানান, চীন গত ১৮ মাসে দুই হাজার একর জায়গা দখল করেছে। এটা স্পষ্ট নয় যে, চীন ভবিষ্যতে সেখানে কি করতে চায়। চীনের এই পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্র গভীর উদ্বিগ্ন বলেও জানান তিনি। কার্টার বলেন, সাগরের এই পরিস্থিতি সংঘাতের দিকে নিয়ে যেতে পারে। তবে তিনি বলেন, এই দ্বন্দ্ব নিরসনে কোনো সামরিক পদক্ষেপ কাজে আসবে না। কূটনীতির মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করতে হবে। ওই বৈঠকে চীনা প্রতিনিধি দল তেমন একটা প্রতিক্রিয়া না দেখালেও দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখায়। মন্ত্রণালয়ের নারী মুখপাত্র হুয়া চুনিয়িং বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতিহাস, বৈধ নীতি এবং প্রকৃত ঘটনাকে অবজ্ঞা করছে। কারণ অনেক আগেই দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সার্বভৌমত্ব এবং অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ফলে সেখানে চীনের দ্বীপ তৈরির বিষয়টি বৈধ এবং যুক্তিসঙ্গত। এখানে অন্য কোনো দেশকে আক্রমণ করার চিন্তা নেই। দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় পুরোটাই নিজেদের বলে দাবি করে চীন। তবে ফিলিপাইন, ভিয়েতনামসহ কয়েকটি আঞ্চলিক দেশও এই দ্বীপের কিছু অংশের মালিকানা দাবি করে থাকে।