গেমিংয়ের জন্য ওয়েবসাইট ও অ্যাপস আনছে ইউটিউব

আপডেট : ১৪ জুন ২০১৫, ০৩:৩৮

ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের পর এবারে গেমিংয়ের জগতে নিজেদের অবস্থানকে শক্তিশালী করে তোলার জন্য বিশেষায়িত ওয়েবসাইট এবং অ্যাপস আনতে যাচ্ছে গুগলের ভিডিও স্ট্রিমিং সেবা ইউটিউব।

অনলাইন জগতে গুগলে অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যামাজনের স্ট্রিমিং সেবা টুইচের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্যই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা। স্বতন্ত্র একটি সেবা হিসেবে টুইচ মূলত গেমারদের খেলার সাথে সাথে অন্যদের খেলা দেখার সুযোগ করে দেয় এবং খেলা সম্প্রচারের সুবিধাও দেয়।

এটি জনপ্রিয়তা অর্জন করতে থাকলে একে কেনার জন্য চেষ্টা চালায় গুগল। কিন্তু অ্যামাজনের সাথে তারা পেরে ওঠেনি। সেই থেকেই মূলত গেমিং নিয়ে কাজ করে যাচ্ছিল গুগল। আর এবারে ইউটিউবের আওতায় তারা চালু করতে যাচ্ছে নতুন বিশেষায়িত ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ। ইউটিউবের অফিশিয়াল ব্লগপোস্টে ইউটিউবের গেমিং প্রোডাক্ট ম্যানেজার অ্যালান জয়েস বলেন, ‘ইউটিউবকে ব্যবহার করে গেমাররা সম্পূর্ণ নতুন ধরনের ভিডিও এর মধ্যেই তৈরি করে দেখিয়েছে। এবারে আমাদের পক্ষ থেকে সময় এসেছে এসব গেমারদের জন্য বিশেষ কিছু করার।’ এই লক্ষ্য থেকেই ‘ইউটিউব গেমিং’ নামে একটি ওয়েবসাইট এবং একটি অ্যাপ অবমুক্ত করবে ইউটিউব। এই ওয়েবসাইট এবং অ্যাপের মাধ্যমে গেমাররা নিজেদের পছন্দের গেম ও গেমিং কমিউনিটির সাথে সংযুক্ত থাকতে পারবে। সেইসাথে গেমিংয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট আরও অনেক কিছু করার সুযোগই থাকবে এই ওয়েবসাইট ও অ্যাপে। ভিডিও শেয়ারিং, লাইভ স্ট্রিমিংয়ের মতো সব সেবাও ব্যবহার করা যাবে ইউটিউবের নতুন এই গেমিং প্ল্যাটফর্মে।

 

জয়েস জানান, অ্যাস্টেরয়েড থেকে শুরু করে জেলডা—এমন সব জনপ্রিয় ২৫ হাজার গেমের প্রতিটির জন্য থাকবে আলাদা আলাদা ওয়েবপেজ। এসব ওয়েবপেজে ওই গেমের সাথে সম্পর্কিত নানা তথ্য, ভিডিও, স্ট্রিমিং থাকবে। এ ছাড়াও গেম পাবলিশার ও ইউটিউব ক্রিয়েটরদের কাছ থেকেও মিলবে নানা ধরনের কনটেন্ট। আবার হাই রেটে ভিডিও স্ট্রিমিং, ডিভিআর প্রভৃতি সেবার সাথে সাথে গেমের ভিডিও এবং লাইভ স্ট্রিমিং শেয়ারের জন্যও বিশেষ ফিচার থাকবে বলে জানিয়েছে ইউটিউব।