আত্মঘাতী বোমা হামলায় কমপক্ষে ৩২ জন নিহত হওয়ার পর সিরিয়া সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে তুরস্ক। সিরিয়া সীমান্তবর্তী সুরুক শহরে সোমবারের হামলায় ওই প্রাণহানির পর এই পদক্ষেপ নিলো দেশটি।
তুরস্কের দাবি, ওই হামলার সঙ্গে ইসলামিক স্টেট (আইএস) জড়িত এমন প্রমাণ পেয়েছেন তারা।
রাজধানী আঙ্কারায় এক সংবাদ সম্মেলনে তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী দাভোতগলু জানান, আইএস'র বিরুদ্ধে তুরস্ক এরই মধ্যে প্রয়োজনীয় সব 'ব্যবস্থা' নিয়েছে। এইসব ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। এসবের সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে শাস্তির মুখোমুখি করার ইচ্ছা শক্তি আমাদের আছে।’
IMG0
কুর্দি অধ্যুষিত সুরুক শহরের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন চলাকালে ওই হামলা চালানো হয়। আইএস'র এক নারী সদস্য ওই হামলা চালিয়েছেন বলে তদন্তকারীরা ধারণা করছেন। তবে তাত্ক্ষণিকভাবে হামলার দায় কেউ স্বীকার করেনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ইস্তাম্বুল থেকে আসা স্বেচ্ছাসেবকদের লক্ষ্য করে ওই হামলা চালানো হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবকরা পাশের সিরিয়ার কোবানি শহরে ত্রাণ নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তুরস্ক সীমান্ত থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কোবানি শহরটি দীর্ঘদিন ধরে ঘিরে রেখেছে আইএস বিদ্রোহীরা। সিরিয়ার অন্তত ২০ হাজার শরণার্থী তুরস্কের ওই সুরুক শহরে অবস্থান করছেন। সূত্র: বিবিসি
