চার জন জঙ্গির হামলায় রক্তাক্ত হল ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের গুরুদাসপুর। সোমবার ভোর থেকে শুরু করে বিকেল পর্যন্ত গাড়ি,বাস,থানা হাসপাতালে নির্বিচারে গুলি চালাল চার জঙ্গি। বেপরোয়া এই হামলায় এখনও পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন এসপিসহ ৬ পুলিশ সদস্য। ভারতের সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে, ভোর ৫টা থেকে হামলা শুরু হওয়ার পর নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে লড়াইয়ে বিকেল ৫টার দিকে হামলাকারী দলটির চার জন সদস্যের সবাই নিহত হয়। হামলাকারীদের দলে এক জন নারীও ছিলেন।
এদিকে পাঞ্জাব হামলা নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৈঠকে রয়েছেন মন্ত্রিসভার শীর্ষ মন্ত্রীরা। রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব এল সি গোয়েল।
সোমবার ভোর ৫টা নাগাদ একটি মারুতি গাড়ি ছিনতাই করে প্রথমে গুরুদাসপুরে একটি বাস লক্ষ্য করে গুলি চালায় হামলাকারীরা। সেখানে মারা যান তিন বাস যাত্রী। বাসটি পাঞ্জাব থেকে জম্মু যাচ্ছিল। পরে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সেনার পোশাকে দীননগর থানায় ঢুকে পড়ে তারা। অতর্কিত হামলায় থানার ভিতর থাকা ছয় জন পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়। মারা যায় থানা হাজতে থাকা তিন বন্দিও। গুলির লড়াইয়ে মারা যান গুরুদাসপুরের এসপি বলজিৎ সিং।
এর পর থানার পাশে থাকা একটি হাসপাতালেও গুলি ছোড়ে তারা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে চার জন বন্দুকধারীই নিহত হয়েছে। ভারতীয় পুলিশের দাবি, হামলাকারীরা কাশ্মির সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকে এই হামলা চালিয়েছে।
