সিট বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ আমীর আলী হলে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন চারজন। শনিবার রাত ১টার দিকে সৈয়দ আমীর আলী হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।
এ ঘটনায় রবিবার সকাল থেকে হলের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
অহতরা হলেন- হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈকত হোসাইন (অর্থনীতি-মাস্টার্স), হাসিবুর রহমান হাসিব (সমাজকর্ম-চতুর্থ বর্ষ), মাসুদ (অর্থনীতি- তৃতীয় বষ), আশরাফুল (বাংলা-প্রথম বর্ষ)।
মাসুদের মাথায় পিছনে গুরুতর জখম হওয়ায় তাকে রাজশহী মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক।
হলের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, হাসিব নামের ছাত্রকে ২০৫ নম্বর কক্ষ থেকে ২১৩ নম্বর কক্ষে স্থানন্তর করেন হলের সাধারণ সম্পাদক সৈকত হোসাইন। কিন্তু এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে হল ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুল হাসান সজল ও সাবেক বহিস্কৃত সভাপতি শামসুজ্জামান ইমন ওই ছাত্রকে ২০৫ নম্বর কক্ষে আটকে রাখেন। পরে সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যারা হাসিবকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে সভাপতি সজল ও বহিস্কৃত সভাপতি ইমন গ্রুপের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। এতে সাধারণ সম্পাদক সৈকত, মাসুদ ও আশরাফুল গুরুতর আহত হয়।
হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈকত হোসাইন বলেন, ‘হাসিব নামের শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করতে গেলে সজল, ইমন, কাহার, বাধনসহ আরো অনেকে আমাকে ও আমার কর্মীদের মারধর করে।’
তবে হল ছাত্রলীগ সভাপতি নাজমুল হাসান সজল বলেন, ‘সৈকত হাসিবকে জোরপূর্বক মারধরকে ২১৩ নম্বর কক্ষে নিয়ে যায়। পরে আমরা উদ্ধার করতে গেলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।’
সৈয়দ আমীর আলী হলের প্রধ্যক্ষ অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘রাত সাড়ে ১২টার পরে পুলিশের ফোন পেয়ে হলে এসে দুই পক্ষকে শান্ত করি। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন হলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান তিনি।
