বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘একটি জেলায়, একটি বিশেষ পণ্য উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এভাবে যদি আমরা প্রত্যেক জেলায় একটি করে বিশেষায়িত পণ্য উৎপাদন করে সেগুলোকে ‘ভৌগলিক নির্দেশক’ পণ্য (জিআই) হিসেবে নিবন্ধন করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং হবে। এতে ওই পণ্যের মূল্য বাড়বে, দেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে।’
বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার ভবনে ‘ভৌগলিক নির্দেশক পণ্যের গুরুত্ব এবং এই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পেতে বিদ্যমান চ্যালেঞ্চ ও করণীয়’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সেমিনারের আয়োজন করে।
বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইন্সটিটিউটের (বিএফটিআই) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলী আহমেদের সঞ্চালনায় সেমিনারে ডিসিসিআই সভাপতি হোসেন খালেদ, সাবেক বাণিজ্য সচিব সুহেল আহমেদ চৌধুরী, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য শহীদুর রহমান ভূইয়া, শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থা পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদফতরের (ডিপিডিটি) উপ-নিবন্ধক ইলিয়াস হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল ইসলাম, বেসরকারী গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষক উম্মে শেফা রেজবানা, ডিসিসিআই সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শহীদুল ইসলাম প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।
সেমিনারে বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ‘ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশে আমরা অনেক বিশেষায়িত পণ্য উৎপাদন করি। যেমন-জামদানি শাড়ি, ইলিশ মাছ, মহিষের দই, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম। আমার মনে হয়, এগুলো অন্য কোথাও উৎপাদন হয় না। এসব পণ্যকে জিআইয়ের অন্তর্ভুক্ত করতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।’
