দৈনন্দিন খরচ চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় নগদ টাকা বাসা বাড়িতেই রাখেন অনেকেই। তবে তা নিশ্চয়ই ২০০ কোটি রুপি নয়।
সম্প্রতি এমন ঘটনাই ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ায়। এর আগেও বিভিন্ন যায়গায় অবৈধ টাকা উদ্ধারের ঘটনা ঘটলেও ২০০ কোটির বেশি রুপি এর আগে হয়ত কোথাও জব্দ করা হয়নি।
স্থানীয় পুরসভার একজন প্রকৌশলী প্রণব অধিকারীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ এই পরিমাণ নগদ অর্থ জব্দ করেছে। মার্কিন ডলারে যা প্রায় ৩১ মিলিয়ন।
হাওড়ার দোতলা একটি বাড়ির ছয়টি কক্ষ থেকে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ পাওয়া যায়। খাটের নীচে, অব্যবহৃত বাথরুম, ফ্লোরে মার্বেলের নীচে, বেসিনের নীচে ড্রয়ার সহ নানা জায়গায় রাখা হয়েছিলো নোটের বান্ডেলগুলো।
ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পনের জন কর্মকর্তা ২০ ঘণ্টা ধরে চারটি মেশিন দিয়ে নোটগুলো গণনা ও পরীক্ষা করে দেখেছেন এগুলো ভুয়া কি-না। পরে ট্রাংকে করে তা পুলিশ সদর দপ্তরে নেয়া হয়।
যদিও প্রতিবেশীরা বলছেন ওই প্রকৌশলীকে তারা সাধারণ জীবনযাপন করতেই দেখেছেন। একটি আবাসন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কাছ ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি করার অভিযোগ পাওয়ার পর তার বাড়িতে অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ।
যদিও অভিযুক্তের স্ত্রী অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে ঘটনাটিকে সাজানো বলে আখ্যায়িত করেছেন।
