বাংলাদেশ-মিয়ানমার নৌরুটে শ্রমিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০১৫, ২১:১৬
পত্রের মাধ্যমে মিয়ানমারে বাংলাদেশি ট্রলার মাঝিকে মারধর বন্ধের আশ্বাস দেওয়ার পর অনির্দিষ্টকালের জন্য ডাকা নৌ ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছে নৌযান মালিক- শ্রমিক পরিষদ। ফলে শুক্রবার থেকে সীমান্ত বাণিজ্যের আত্ততায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা টেকনাফ স্থলবন্দর অভিবাসন কেন্দ্র দিয়ে তিনটি ট্রলারে করে ৩৫ জন ব্যবসায়ী মিয়ানমারে যান।
 
বিষয়টি নিশ্চিত করেন টেকনাফ স্থলবন্দরের অভিবাসন কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, মিয়ানমার অভিবাসন পুলিশ পত্র পাঠানোর মাধ্যমে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে। এ ধরনের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন তারা। তাই মালিক-শ্রমিকেরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছে এবং শুক্রবার বর্ডার পাস নিয়ে তিনটি ট্রলারে করে মিয়ানমারে পণ্য আমদানি করতে ৩৫ জন ব্যবসায়ী মিয়ানমারে গেছেন।
 
টেকনাফ ৪২ বিজিবির (ভারপ্রাপ্ত) অধিনায়ক মেজর আবদুল হান্নান খান বলেন, ‘মিয়ানমার অভিবাসন পুলিশের একটি চিঠি হাতে পেয়েছি। তারা এ ধরনের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন। তাদের সাথে কথা বলে বিষয়টির সমাধান করা হয়েছে। তাই শুক্রবার বাংলাদেশ থেকে ব্যবসায়ীদের নিয়ে বোট মিয়ানমারে গেছেন।
 
টেকনাফ স্থলবন্দর ট্রলার মালিক সমবায় সমিতির আহ্বায়ক এবং মালিক ও শ্রমিক পরিষদের সমন্বয়ক আবদুল করিম ও ফেরুজ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
 
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দুপুরে মোহাম্মদ ইসমাঈল নামে এক ট্রলার মাঝি ১০ জন ব্যবসায়ী নিয়ে মংডু শহরের ঘাটে পৌঁছান। ব্যবসায়ীদের ট্রলার থেকে নামিয়ে তিনি ঘাটে ট্রলার নোঙর করেন। এর কিছুক্ষণ পর সাদা পোশাক পরিহিত মিয়ানমার অভিবাসন কেন্দ্রের পুলিশের একজন সদস্য কোনো কারণ ছাড়াই তাদের কিল, ঘুষি ও লাথি মারেন। মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি) কর্তৃক ট্রলার মাঝিকে মারধরের প্রতিবাদে গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ডাক দেয় টেকনাফ স্থলবন্দর ট্রলার মালিক ও শ্রমিক পরিষদ।