ধানমণ্ডিতে বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার

আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০১৫, ০১:৪৯

রাজধানীতে ধানমন্ডির কলাবাগান মাঠ সংলগ্ন সড়কের ফুটপাথ থেকে হাত-পা বাঁধা বস্তাবন্দী অজ্ঞাত (৩৫) ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে, দনিয়ায় ছয়তলা ভবনের ছাদ থেকে মাদ্রাসা ছাত্র আসাদুল্লাহ হামীমকে ফেলে দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে না পেরে খিলক্ষেতে মুরাদ হোসেন অন্তর (২০) নামে এক যুবক একটি ভবনের সাততলা থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। নিহত মুরাদ উত্তরা এলাকার একটি বেসরকারি পলিটেকনিক্যাল কলেজের ছাত্র ছিলেন।

 
ধানমন্ডি থানার ওসি নূরে আজম মিয়া জানান, কলাবাগান মাঠের পাশে ফুট ওভারব্রিজ সংলগ্ন এলাকার ফুটপাতে একটি কার্টন পড়ে থাকতে দেখে পথচারীদের সন্দেহ হয়। একজন মহিলা পথচারী কার্টনটি খুলে ভিতরে তোষক দিয়ে মোড়ানো একটি চটের বস্তা দেখতে পান। বস্তার মুখ খুলে  হাত-পা বাঁধা অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ দেখতে পান। ওসি জানান, হাত-পা বাঁধা ও গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় লাশটি পাওয়া যায়। নিহতের বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। তার পরনে ছিল গাঢ় সবুজ ফুল প্যান্ট ও নীল রঙের হাফহাতা গেঞ্জি। তাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর দুর্বৃত্তরা রাতের অন্ধকারে লাশটি ওই স্থানে ফেলে যায় বলে পুলিশের ধারণা।
 
দনিয়ায় ছয়তলা মাদ্রাসা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে আসাদুল্লাহ হামীম (১২) নামে এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার ভোরে ওই ঘটনার পর চিকিত্সাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়। তাকে ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ স্বজনদের।
 

খিলক্ষেতের উত্তরপাড়া এলাকায় বহুতল ভবন থেকে পড়ে মারা গেছেন মুরাদ চৌধুরী অন্তর। খিলক্ষেত থানার এসআই প্রিয়তোষ চন্দ্র দত্ত জানান, অন্তর খিলক্ষেতের লেকসিটি এলাকায় কনকর্ড ভবনের একটি মেসে থাকতেন, উত্তরার পলিটেকনিক কলেজে মোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়ালেখা করতেন। মঙ্গলবার তিনি চাচা রায়হান চৌধুরীর উত্তরপাড়ার বাসায় ছিলেন। রাত ৮টার দিকে তিনি ওই বাসার সাত তলা ভবনের ছাদ থেকে লাফ দেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। মৃতের মামা আসিফ হাসান বলেন, প্রেমের সূত্র ধরে গত ২০ সেপ্টেম্বর অন্তর স্থানীয় এক তরুণীকে বিয়ে করে। পরে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের ভোজপুরের সরদারপাড়ায় যান। খবর পেয়ে ওই তরুণীর বাবা সেখান থেকে মেয়েকে ঢাকায় ফিরিয়ে আনেন এবং পরে আনুষ্ঠানিকভাবে মেয়েকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানোর কথা বলেন। কিন্তু ঢাকায় আসার পর থেকে অন্তরের সঙ্গে তার স্ত্রীকে যোগাযোগ করতে দেয়া হচ্ছিল না। এই মনোকষ্ট থেকে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।