মিয়ানমারে বিদ্রোহীদের সঙ্গে সরকারের শান্তিচুক্তি

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০১৫, ১২:১০
মিয়ানমারের আটটি সশস্ত্র বিদ্রোহী গ্রুপের সঙ্গে অস্ত্রবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। দুই বছর ধরে আলোচনার পরে দেশটির রাষ্ট্রপতি থেইন সেইনের উপস্থিতিতে রাজধানী নাইপিদোতে এই চুক্তি দুই বছর ধরে চলা শান্তি আলোচনার ফসল।
 
১৯৪৮ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই স্বায়ত্বশাসনের দাবিতে দেশটির সামরিক বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে আসছে বিভিন্ন বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠীগুলো। বিবিসির নাইপিদো প্রতিনিধি জোনাহ ফিশার বলেন,  এরইমধ্যেই অস্ত্রবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে সবগুলো গোষ্ঠী চুক্তিতে স্বাক্ষর করার পূর্বে সংঘর্ষ থামবে না। যদিও সরকার মনে করছেন, রাজনৈতিক স্থিরতা অর্জনে এ চুক্তি বিরাট সহায়ক হবে। যেসব গোষ্ঠী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি তারাই সবচে বেশি অস্ত্রধারী এবং এ গোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছে ইউনাইটেড অল বার্মা স্টুডেন্ট ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট,দ্য রেস্টোরেশন কাউন্সিল অব শান স্টেটও কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন।এ সংগঠনগুলো সেনাবাহিনীর সাথে নিয়মিত সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে আসছে।
 
IMG0
 
 
তবে আলোচনায় মধ্যস্ততাকারীদের দাবির বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, যে সাতটি গোষ্ঠী চুক্তিতে স্বাক্ষর করছে না তারাও চু্ক্িত থেকে বেশি দূরে নন এবং তারা চুক্তির খসড়াতে সম্মতি দিয়েছেন। যেসব সংগঠন চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে সেগুলোকে গত সপ্তাহেই সরকার ঘোষিত বেআইনি সংগঠনের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়। বেআইনি সংগঠনের তালিকা থেকে মঙ্গলবার যেসব সংগঠনের নাম তুলে দেয়া হয় তার মধ্যে কারেন ন্যাশনাল আর্মি পিস কাউন্সিল, আরাকান লিবারেশন পার্টি, দ্য চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট, দ্য পাও ন্যাশনাল লিবারেশন অর্গানাইজেশন এবং ডেমোক্রেটিক কারেন বেনেভোলেন্ট আর্মি উল্লেখযোগ্য। বিবিসি।