আজ বুধবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গার প্রত্যন্ত পল্লী বাঁশবাড়িয়া গ্রামে সংঘটিত বিবদামান দু’দল মুসল্লীর মধ্যে সংঘটিত সশস্ত্র রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে মোট ১১ জন আহত হয়। আহতদের ৩ জনকে গুরুতর অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গার সহকারী পুলিশ সুপার ও আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, নতুন একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করে গ্রামের দু’দল মুসল্লীর মধ্যে বিগত বেশ কিছুদিন যাবত মনোমালিন্য চলছিল। এর এক পর্যায়ে আজ বুধবার জোহর নামাজ পর বাঁশবাড়িয়া গ্রামে উল্লেখিত বিবাদমান দু’দল মুসল্লীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের মুসল্লীরা দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র হাসুয়া, ফালা, বল্লম, রামদা, সড়কি, সাবল, কাচি ও লাঠি ইত্যাদি ব্যবহার করে।
ঘটনায় গ্রামের উভয় পক্ষের মোট ১১ জন জখম হয়। জখম ৬ জনকে হারদীস্থ আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং ৫ জনকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়ে। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি গুরুতর ৩ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রের্ফাড করা হয়েছে। রাজশাহীতে রেফার্ডকৃত গুরুতর ৩ জন হলো, হাতেম, রাজীব ও উজ্জল। গ্রামটিতে এখন নিস্তব্ধ নিরবতা বিরাজ করছে।
