যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা সদরে জমিজমা সংক্রান্ত শালিসী বৈঠকে ভাতিজার লাঠির আঘাতে হামিদ মোল্লাহ (৭০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শুক্রবার রাতে তিনি মারা যান।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক মেম্বার সাহেব আলী জানান, ৪-৫ মাস আগে হামিদ মোল্লা তার ভাই হাশেম মোল্লার কাছ থেকে দশ শতক জমি কেনেন। কিন্তু হাশেম মোল্লার ছেলেরা জমির দখল না দেয়ায় শুক্রবার বিকেলে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে শালিস বৈঠক বসে।
শালিসের একপর্যায়ে হাশেম মোল্লার ছেলে জাকির ও তার ছেলে সুমন বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে হামিদ মোল্লাকে। এ সময় বাবাকে রক্ষা করতে গিয়ে মারপিটের শিকার হন ছেলে রফিকুল ও তার বোন ময়না বেগম । দু’জনকে রাত সাড়ে আটটায় যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহত ময়না বেগমের দাবি, শালিসে স্থানীয় জামদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শামসুর রহমান ও ওয়ার্ড মেম্বার রবিউল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ জানায়, ‘হামিদ মোল্লাহ ও হাশেম মোল্লাহ আপন দুই ভাই। এই দুই ভাইয়ের মধ্যে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। বহুবার শালিস-বিচার হয়েছে। কিন্তু কোনো সমাধান হয়নি।
পরে বিষয়টি শালিসে অমীমাংসিত অবস্থায় রাত হয়ে যাওয়ায় শালিসকারীরা জানিয়ে দেন, পরে এ নিয়ে আবার বসা হবে। এ পর্যায়ে দু’পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। এতে হাশেম মোল্লার ছেলেদের আঘাতে হামিদ মোল্লা মারা যান।’
বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাঈদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, পুলিশ লাশ উদ্দার করে ময়না তদন্দের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে।
