মুশফিকুর রহিম ও সাব্বির রহমানের শত রানের জুটিতে মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ২৭৩ রান করেছে বাংলাদেশ। মুশফিক তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারে চতুর্থ ওয়ানডে সেঞ্চুরি আর সাব্বির করেছেন ক্যারিয়ার সেরা ৫৭ রান।
মিরপুরের ধীর উইকেটে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু দ্বিতীয় ওভারে শূন্য রানে আউট হয়ে যান সৌম্য সরকারের জায়গায় ওপেনিংয়ে সুযোগ পাওয়া লিটন দাস। নবম ওভারে মাহমুদুল্লাহও ফিরে যান দলীয় ৩০ রানে। ২০ বল খেলে ৯ রান করেছিলেন তিনি। সেখান থেকেই তামিমকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেন মুশফিকুর রহিম। মিরপুরের ধীর উইকেটে তামিম স্বভাববিরুদ্ধ খেললেও মুশফিকের ব্যাটে রান আসছিল। সিকান্দার রাজার বলে লং অনে মারতে গিয়ে ৪০ রান করে আউট হয়ে ফিরে যান তামিম।
আউট হওয়ার আগে ৭০ রানের জুটি গড়েছিলেন মুশফিকের সঙ্গে। একই বোলারের বলে স্টাম্পিংয়ের শিকার হন সাকিব আল হাসান। দলীয় ১২৩ রানে চতুর্থ উইকেট হিসেবে সাকিব আউট হওয়ার পরে উইকেটে আসেন সাব্বির রহমান। ছন্দে থাকা মুশফিক সাব্বিরকে নিয়ে পরিস্থিতি সামলে নিতে থাকেন। প্রায় ১৯ ওভার এই দুই জন ব্যাটিং করে ১১৯ রানের জুটি গড়ে তুলেন। মুশফিক তুলে নেন ওয়ানডেতে তার চতুর্থ সেঞ্চুরি।
IMG0
তরুণ সঙ্গীর রানের গতি বাড়ানোর ফাঁকেই ৪৬তম ওভারে নিজের রান তিন অঙ্কে নিয়ে যান মুশফিক। ওয়ানডেতে এটি মুশফিকের চতুর্থ আর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। চলতি বছর এটি মুশফিকের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি।
৪৭ থেকে ৪৮ তম ওভারে ছয় বলের মধ্যে সাব্বির-নাসির-মুশফিকের বিদায়ের শেষের দিকে হঠাৎ করেই চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। মুশফিক ১০৭ ও সাব্বির ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ ৫৭ রান করে ক্রেমারের থ্রোতে রান আউটের শিকার হন। নাসির হোসেন সীমানা ছাড়া করতে গিয়ে টাউরাই মুজারাবানির বলে চামু চিবাবার হাতে ধরা পড়েন তিনি।ত বে মাশরাফি ও আরাফাত সানি দলের সংগ্রহ ২৭০ ছাড়িয়ে নিয়ে যান। শেষ ওভারে ফিরে যাওয়ার আগে ৯ বলে ১৪ রান করেন অধিনায়ক। শেষ বলে রান আউট হওয়া আরাফাত করেন ১৫ রান। জিম্বাবুয়ের রাজা ও মুজারাবানি দুটি করে উইকেট নেন।
