বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত প্রযুক্তির প্রসার বৃদ্ধি পাচ্ছে বাংলাদেশে। ব্যক্তিগতভাবে তৈরি হচ্ছে নানা স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ই-কমার্স ছাড়াও প্রযুক্তি খাতে অনেক স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান তৈরি হচ্ছে। তবে স্টার্টআপ শুরু করতে গিয়ে নানা বাধা সামনে আসে উদ্যোক্তাদের। এই সকল বাধা জয় করে স্টার্টআপের পথ সুগম করতে শুরু হয়েছে ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশে’। সোমবার রাজধানীর আমেরিকা সেন্টারে উদ্বোধন হলো এই আয়োজন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোক্তা ক্যাটালিস্ট রিজনাল পলিসি অফিসার গ্যারি হোয়াইটহল, আনা ওয়াই আয়ালা, জর্জ মেস্থস, ক্যালভিন হেইস, ইএমকে সেন্টারের পরিচালক এম কে আরেফ, বেটার স্টোরিজ লিমিটেডের চিফ স্টোরি টেলার মিনহাজ আনোয়ারসহ মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তা ও আয়োজনটিতে অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগিরা। এছাড়া সিডস্টারস ওয়ার্ল্ডের এশিয়ার আঞ্চলিক ম্যানেজার ক্যাটারিনা ও কারিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগতম বক্তব্য দেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন সার্ভিস অফিসার জর্জ মেস্থস। তার বক্তব্যে তিনি উদ্যোক্তার গুরুত্ব সম্পর্কে তুলে ধরে বলেন, 'উদ্যোক্তারা হলো বাংলাদেশে সমৃদ্ধির জন্য একটি ইঞ্জিনের মত এবং এটি সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার চাবিকাঠি।'
IMG0
অনুষ্ঠানে স্টার্টআপ বাংলাদেশ সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। এ সময় বক্তব্য দেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিভাগের রিজনাল পলিসি অফিসার আনা ওয়াই আয়ালা। অনুষ্ঠানের অংশগ্রহণকারীদের জন্য ছিলো প্রশ্নত্তোর পর্ব। আয়োজনের শেষ পর্বে বক্তব্য দেন বেটারস্টোরিজের লিমিটেডের চিফ স্টোরি টেলার মিনহাজ আনোয়ার। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, '১৬ কোটি জনসংখ্যার এই দেশে ৬০ শতাংশ বাংলাদেশির বয়স ৩৫ বছরের নিচে এবং প্রতি বছর প্রায় ২ দশমিক ৭ মিলিয়ন মানুষ কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করছে প্রতিবছর। কিন্তু কতজনকে আমরা চাকরি দিতে পারি? ২ মিলিয়নের বেশি নয়। আমি বিশ্বাস করি দেশে নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরিতে উদ্যোক্তারা ভূমিকা রাখবে।"
আয়োজনটি যৌথভাবে আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ও বেটার স্টোরিজ লিমিটেড। ইভেন্ট পার্টনার হিসেবে রয়েছে, ইএমকে সেন্টার, ফিউচার স্টার্টআপ, ফাউন্ডার বাংলাদেশ এবং সেভেন সেইজেস। অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার প্রযুক্তি বিষয় সংবাদ মাধ্যম হাইফাই পাবলিক ডটকম।
