ফিফা ব্যালন ডি অরের শীর্ষ তিনে বার্সেলোনার মেসি-নেইমার রয়েছেন। তবে এতে তৃপ্ত না হয়ে বরং লুইস সুয়ারেজ কেন নেই সেটা নিয়েই তাদের আক্ষেপের শেষ নেই!
বার্সেলোনার মেসি-নেইমার-সুয়ারেজের ভয়ংকর ফরোয়ার্ড লাইন ইউরোপে রাজত্ব করছে। এই ত্রয়ী গত মৌসুমে বার্সেলোনাকে লা লিগা, কোপা দেল রে ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতিয়েছে। এই মৌসুমেও দুর্দান্ত বেগে ছুটে চলেছে ‘এমএসএন’।
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদসহ সব প্রতিপক্ষ তাদের দোর্দণ্ড প্রতাপে সভ্রমে মাথা নোয়াচ্ছে। এই তিন জনের মধ্যে অসাধারণ রসায়ন ও সুসম্পর্কটা মাঠের মধ্যেই টের পাওয়া যায়। এই যেমন গত সপ্তাহে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রোমার বিপক্ষে ম্যাচে মেসি, সুয়ারেজ দুটি করে গোল করে হ্যাটট্রিকের অপেক্ষায়। পেনাল্টিতে সেটি পূর্ণ করার সহজতম সুযোগটি পেয়েও মেসি-সুয়ারেজ কেউ না নিয়ে সেটা দিয়ে দেওয়া হল সেই ম্যাচে গোলবঞ্চিত নেইমারকে!
আর রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে মাত্রই ইনজুরি থেকে ফেরা মেসিকে গোল করাতে সুয়ারেজ-নেইমারের প্রাণান্তকর চেষ্টাটাও ছিল দেখার মতো।
IMG0
গতকাল সোমবার লা লিগার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার নিতে গিয়ে লিওনেল মেসি যখন সেইদিনই ঘোষিত ফিফা ব্যালন ডি অরের শীর্ষ তিনে সুয়ারেজের না থাকা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করলেন তাতে কেউ অবাক হয়নি। মেসি বলেন, লুইজের এটা পাওনা ছিল, কারণ সে দারুণ একটি মৌসুম কাটিয়েছে। ক্রিস্টিয়ানোকেও কৃতিত্ব দিতে হবে কারণ সেও যথেষ্ট ভালো খেলেছে।
IMG1
একই ভাবে লা লিগার বর্ষসেরা দক্ষিণ আমেরিকান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতা নেইমার প্রথমবারের মতো ফিফা বর্ষসেরার চূড়ান্ত তিনে অবস্থান করে নেওয়ার আনন্দের চেয়ে সুয়ারেজের না থাকার হতাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ব্যালন ডি অরের জন্য মনোনীত হওয়াটা আমার কাছে অনেক কিছু। সুয়ারেজও সেখানে থাকতে পারতো।
তবে যাকে নিয়ে তার দুই সতীর্থ আক্ষেপ করছেন সেই সুয়ারেজের কোনো আক্ষেপ নেই শীর্ষ তিনে থাকতে না পারায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের তিনজনের ছবি দিয়ে এই একটি পোস্টে বলেন, অভিনন্দন বন্ধুরা! তোমাদের জন্য অনেক গর্বিত এবং অনেক খুশিও।
