নিখোঁজ মালয়েশীয় বিমান এমএইচ ৩৭০-র খোঁজে ভারত মহাসাগরের সঠিক জায়গায় অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে বলে বিশ্বাস অস্ট্রেলীয় কর্মকর্তাদের। বিবিসি জানিয়েছে, এবারের অনুসন্ধানে ভারত মহাসাগরের নির্দিষ্ট অনুসন্ধান এলাকার দক্ষিণপ্রান্তের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
অস্ট্রেলীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্যবিশ্লেষণে নিখোঁজ বিমানটির ওই এলাকায় বিধ্বস্ত হওয়ার সম্ভাবনাই জোরালো হয়েছে। ২০১৪-র মার্চে কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিং যাওয়ার পথে ২৩৯ জন যাত্রী নিয়ে মালয়েশীয় এয়ারলাইন্সের বিমান এমএইচ ৩৭০ রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরবর্তী অনুসন্ধানে বিমানটিকে দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে নিয়ে গিয়ে বিধ্বস্ত করা হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।
IMG1
চলতি বছরের জুলাইয়ে অনুসন্ধানস্থল থেকে চার হাজার কিলোমিটার দূরে রিইউনিয়ন দ্বীপের সৈকতে নিখোঁজ বিমানটির ডানার একটি অংশ পাওয়া যায়। ফ্রান্সের পরীক্ষার পর অংশটি নিখোঁজ এমএইচ৩৭০-র ডানার অংশ বলে নিশ্চিত করেন বিশেষজ্ঞরা।
সাগরের স্রোতের টানেই বিমানের ডানার অংশটি অতদূরে ভেসে গিয়েছে বলে দাবি করে এটি তাদের অনুসন্ধানে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলীয় কর্মকর্তারা।
রিইউনিয়ন দ্বীপের সৈকতে নিখোঁজ বিমানটির ডানার একটি অংশ পাওয়া যায়। ফ্রান্সের পরীক্ষার পর অংশটি নিখোঁজ এমএইচ ৩৭০-র ডানার অংশ বলে নিশ্চিত করেন বিশেষজ্ঞরা। রিইউনিয়ন দ্বীপের সৈকতে নিখোঁজ বিমানটির ডানার একটি অংশ পাওয়া যায়।
ফ্রান্সের পরীক্ষার পর অংশটি নিখোঁজ এমএইচ ৩৭০-র ডানার অংশ বলে নিশ্চিত করেন বিশেষজ্ঞরা। দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী ওয়ারেন ট্রাস বলেন, বিমানটি পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা।
IMG0
অস্ট্রেলিয়ার পার্থ উপকূল থেকে দুই হাজার কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ ভারত মহাসাগরের এক লাখ ২০ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকার সাগরতলজুড়ে অনুসন্ধানটি চালানো হচ্ছে। এতে সাগরতলে অনুসন্ধানের জন্য বিশেষভাবে তৈরি জাহাজের সোনার যন্ত্রপাতি ও পাতালড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।
অনুসন্ধানের দায়িত্বে থাকা জয়েন্ট এজেন্সি কোঅর্ডিনেট সেন্টার (জেএসিসি) জানিয়েছে, ইতোমধ্যেই অনুসন্ধান এলাকার ৭৫ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকায় অনুসন্ধান শেষ করা হয়েছে। তবে এখনো বিমানটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা বিভাগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গোষ্ঠী এক কারিগরি প্রতিবেদনে প্রাপ্ত তথ্যের বিশদ পর্যালোচনায় নিখোঁজ বিমানটি বর্তমান অনুসন্ধান এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে। আসছে বছর জুনে অস্ট্রেলিয়ার এ অনুসন্ধান কার্যক্রম শেষ করার কথা রয়েছে। পুরো অনুসন্ধানে ১৮ কোটি অস্ট্রেলীয় ডলার ব্যয় হবে। বিবিস
