ঢাকাকে ছুঁয়ে শেষ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে ১৫১ রান করতে হবে সিলেট সুপার স্টার্সকে। টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪ উইকেটে ১৫০ রান করে কুমিল্লা।
ইনিংসের শেষ দিকে সময়ের দাবি মেটাতে পারেননি অলক কাপালি ও আসার জাইদি। আরও বড় স্কোরের সম্ভাবনা জাগিয়েও সিলেট সুপার স্টার্সের বিপক্ষে শেষ পর্যন্ত আটকে গেছে ১৫০ রানে।
২০ ওভারে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়েছে কুমিল্লা। কিন্তু ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে শেষ দিকে ঝড় তুলতে পারেননি দলের ব্যাটসম্যানরা। বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের সামর্থ্য যার ছিল, সেই আন্দ্রে রাসেল উইকেট গিয়েছেন শেষ ওভারে। খেলতে পেরেছেন মোটে ১টি বল!
তবে সিলেটের জন্য চ্যালেঞ্জটা আরও বড়। জয়ের লক্ষ্য হয়ত কঠিন নয়, কিন্তু টিকে থাকার লক্ষ্যটা বেজায় কঠিন! রান রেটে ঢাকার সমান্তরালে আসতে এই ১৫১ রান ১০.৪ ওভারে তাড়া করতে হবে সিলেটকে। আর পরের ম্যাচে কামনা করতে হবে ঢাকা ডায়নামাইটসের পরাজয়।
কুমিল্লা ইনিংসের শুরুতেই হারিয়েছিল লিটন দাসকে। মোহাম্মদ শহীদকে দারুণ এক পুল শটে চার মেরে পরের বলেই আউট লিটন (৪)। তবে ইমরুল-শেহজাদের জুটিতে দারুণ গতিতেই এগোতে থাকে কুমিল্লা। চোখধাঁধানো কিছু শট খেলেছেন দুজনই। ১০ ওভারে কুমিল্লা তোলে ১ উইকেটে ৭৫।
তবে শেহজাদের আউটের পর কিছুটা গতি হারায় দলের ইনিংস। ৩১ বলে ৪২ করে শেহজাদ এলবিডব্লিউ হয়েছেন রুবেলের লো ফুলটসে। কিছুটা থমকে যাওয়া ইমরুল ফিরতি ক্যাচ দেন শহীদ আফ্রিদিকে (২৮ বলে ২৭)।
অলক-জাইদির জুটি টিকে গেলেও সময়মত চার-ছক্কার মেলা বসাতে পারেনি। ঠিকমত টাইমিং করতে না পেরে বেশ কবার নিজের ওপর ফুঁসতে দেখা গেছে জাইদিকে। শেষ পর্যন্ত ২৯ বলে ৩১ করে রান আউট হয়েছেন শেষ ওভারে। চতুর্থ উইকেটে ৫৬ রানের জুটি গড়তে ৪৯ বল খেলে ফেলেছেন দুজন।
শেষ ওভারে ছক্কা মেরে তবু নিজের আর দলের রান একটু বাড়িয়েছেন অলক। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত তিনি ২৬ বলে ৩২ রান করে। সিলেটের শহীদ, রুবেল ও আফ্রিদি নিয়েছেন একটি করে উইকেট।
ম্যাচটি কুমিল্লার জন্য নিয়মরক্ষার হলেও, সিলেট সুপার স্টার্সের জন্য তা ডু অর ডাই। শেষ চারে যেতে হলে ম্যাচটা জিততেই হবে তাদের। সঙ্গে সন্ধ্যার ম্যাচে ঢাকা ডায়নামইটসের হার কামনা করতে হবে। ঢাকা হারলে ও সিলেট জিতলে দুই দলের পয়েন্ট হবে সমান। তখন রান রেটে এগিয়ে থাকা দলটি খেলবে শেষ চারে।
