শিক্ষাক্ষেত্রে পরিবর্তন ও শৃঙ্খলা এসেছে: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০১৫, ২২:৪১

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে পরিবর্তন ও শৃঙ্খলা এসেছে। সময়মতো পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ হয়। বিশ্বের কোনো দেশে না হলেও এদেশে বই উতসব হয়।


তিনি বলেন, বছরের প্রথম দিন প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হয়। এবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকার কারণে ২ জানুয়ারি বই উতসব হবে।


তিনি আজ রাজধানীর সেগুন বাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনিস্টিটিউটে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।


শিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব সোহরাব হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচালক এম ইমতিয়াজ আলী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. অরুনা বিশ্বাস।


মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত করতে জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০১০ প্রণয়ন করা হয়েছে। এটা কোনো দলীয় নীতি নয়, এটা জাতীয় নীতি।


শিক্ষকরা নিয়ামক শক্তি, যারা ভবিষ্যত প্রজন্মকে গড়ে তুলবেন উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের প্রাথমিক শিক্ষা দিয়ে নতুন প্রজন্মকে আধুনিক, জ্ঞানসম্মত ও প্রযুক্তি নির্ভর করে গড়ে তুলতে শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করতে হবে।


তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে আধুনিক ও বিশ্বমানের শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুললেই হবে না, নতুন প্রজন্মকে নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও সততার মনোভাব নিয়ে গড়ে তুলতে হবে।


শিক্ষায় সংখ্যার দিক দিয়ে ব্যাপক পরিবর্তন অর্জন। সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে পারলে ছেলে এবং মেয়েরা যে কোনো কাজ করতে পারে। এটা প্রমাণিত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


নাহিদ বলেন, ১৯৭১ সালে খাঁটি মুসলিম লীগ ও জামায়াতে ইসলাম সমর্থিত অপশক্তি আপাদমস্তক স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিল। মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি প্রতিশোধ নিতে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিলো।


এরপর দেশের যাত্রা উল্টোপথে শুরু হয়। দেশে এখন গণতন্ত্রের সুবাতাস বইছে। দেশ খাদ্য, বিদ্যুত, অবকাঠামো উন্নয়নসহ সার্বিক ক্ষেত্রে এগিয়েছে।


নির্ধারিত সময়েই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে বলেও শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন।


ফাহিমা খাতুন বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর হওয়ায় এবারের বিজয় দিবস অন্যরকম আনন্দের। বাংলাদেশে জঙ্গীবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

 

অনেকেই জঙ্গীবাদকে সমর্থন দিচ্ছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যেমন আনন্দের তেমনি জঙ্গীবাদের উত্থান বেদনার। জঙ্গীবাদকে রুখতে হবে।


পরে বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত দেশাত্মবোধক গান ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। বাসস