গ্রেফতার আতঙ্কে পুরুষ শূন্য গোপালপুরে দুই গ্রাম

আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০১৬, ২৩:৫১
 
জেলার নাগেশ্বরীতে নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় মামলা করেছে পুলিশ। এর ফলে আতঙ্কে পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে পৌর এলাকার ১ নং ওয়ার্ডের দুই গ্রাম। এদিকে নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় পুলিশ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে।
 
এলাকাবাসী ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন মোহাম্মদ আলী জীবন (ডালিম)। বাগডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার এ কে এম তছলিম উদ্দিন ভোটগণনা শেষে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এ সময় পরাজিত ২ কাউন্সিলর প্রার্থী হাফেজ উদ্দিন (গাজর) ও আব্দুর রাজ্জাক (ব্লাক বোর্ড) পুনরায় ভোট গণনার দাবি জানান।
 
প্রিজাইডিং অফিসার নির্বাচনী সামগ্রী নিয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসে আসার পথে গোপালপুর পীরবাড়ী দাখিল মাদ্রাসা মাঠে পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থী হাফেজ উদ্দিন (গাজর), আব্দুর রাজ্জাক (ব্লাক বোর্ড)-এর নেতৃত্বে আকালুর ভিটা ও গীরাইপাড় গ্রামের প্রায় ২ শতাধিক মানুষ হামলা চালায়। এ সময় তারা পুলিশ ভ্যানসহ নির্বাচনী মালামাল বহনকারী অটোরিকশা ভাঙচুর করে মালামাল লুটের চেষ্টা করে। এতে এস আই আ ছালাম এবং এস আই জিয়াউল হক আহত হন।
 
খবর পেয়ে নাগেশ্বরী থানার ওসি আবু আককাস আহম্মদ, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মামুন ভুঁইয়া, এএসপি (সার্কেল) মাসুদ আলম, ওসি তদন্ত মাসুমুর রহমান দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারাও এ হামলার শিকার হন। এ সময় হামলাকারীরা ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে নাগেশ্বরী থানার ওসি আবু আককাস আহম্মদের থুতনি ফেটে যায়। ওই দিন রাতেই নাগেশ্বরী থানার এস আই জিয়াউল হক বাদী হয়ে আকালুর ভিটা গ্রামের হাফেজ উদ্দিন ও গীরাইপাড় গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকসহ অজ্ঞাত ২শ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
 

ঘটনার রাত থেকে আকালুর ভিটা ও গীরাইপাড় গ্রামে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ফলে গ্রেফতার আতঙ্কে গ্রাম ২টি পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে।