কানাডার সভাকবি দ্যা পার্লামেন্টারি পয়েট লরিয়েট হিসেবে নির্বাচিত হলেন কবি জর্জ এলিয়ট ক্লার্ক। বৃহস্পতিবার সরকারি ভাবে তার নাম ঘোষণা করা হয়। তিনি দুই বছরের জন্যে এই কবিসভায় লেখক মিশেল প্লিও-এর স্থলাভিসিক্ত হলেন।
সমাজ চেতনায় ঋদ্ধ এলিয়ট ক্লার্ক একাধারে কবি, গীতিকার, সাংবাদিক, গবেষক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। তিনি জন্ম ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬০ সালে নোভা স্কোশিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ক্লার্ক ইংরেজি সাহিত্যের স্নাতক ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াটারলু, স্নাতকোত্তর ডালহৌসি ইউনিভার্সিটি এবং পিএইচডি করেন কুইন্স ইউনির্ভাসিটি থেকে। এখন টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন। থাকেন টরন্টোতে।
আফ্রো-আমেরিকা-কানাডিয়ান সপ্তম প্রজন্মের এই কবি কানাডায় ‘আফ্রোকাডিয়া’ নামের এক সাংস্কৃতিক ধারার পরিচিত করেন।
ইংল্যান্ডের মতো সরকারি পদে অধিষ্ঠিত ‘দ্যা পার্লামেন্টারি পয়েট লরিয়েট’ শুধুই সম্মানজনক পদ নয়; রয়েছে সাংবিধানিক ভাবে কিছু দায়িত্ব।
জনপ্রিয় কবি ও লেখক জর্জ এলিয়ট ক্লার্ক অনেক পুরষ্কার এবং সন্মাননা পেয়েছেন। তার মধ্যে গভর্ণর জেনারেল অ্যাওয়ার্ড, ড. মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড, ট্রুডো ফেলো পুরস্কার অন্যতম।
পৃথিবীর কয়েকটি ভাষার পাশাপাশি বাংলাভাষায় কার্কের কবিতা অনূদিত হয়েছে। পারভেজ চৌধুরী কর্তৃক বাংলায় অনুদিত তার ‘বসন্ত আসছে’ কবিতাটি উপস্থাপন করা হলো-
দীর্ঘ শীতের পর
এক নির্যাতন পেরিয়ে
বসন্ত আসছে ধীরে ধীরে ।
যেন স্বাধীনতা খুব কাছাকাছি।
যদিও এখন পর্যন্ত আসেনি
সেই জন্যে বসন্ত প্রার্থনায় আমরা
অপেক্ষা শুধু বিজয়ের।
কখন
কীভাবে
যেখানে উষ্ণতা
সূর্য
বিদীর্ণ করা উচ্চ স্বর
চিৎকার
দেরী করে ঘরে ফেরা
বরফ গলা
সব কিছুকেই স্বাগতম।
বসন্ত আসছে ধীরে ধীরে ।
