চার দিনেও ২৬ গবাদি পশু ফেরত দেয়নি বিএসএফ

আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০১৬, ১৫:২১
নাগেশ্বরীর চৌদ্দঘড়ি সীমান্ত থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া ২৬টি গরু-ছাগল চার দিনেও ফেরত দেয়নি বিএসএফ। বিজিবির পক্ষ থেকে কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে গবাদি পশু ফেরতের প্রস্তাবেরও সাড়া দেয়নি তারা।
 
এলাকাবাসী জানায়, গত বুধবার সন্ধ্যায় নারায়ণপুর ইউনিয়নের চৌদ্দঘড়ি সীমান্তের ১০৩৩/৬ এস পিলারের পাশে নো ম্যান্স ল্যান্ডে ঘাস খাওয়া অবস্থায় বালারহাট গ্রামের ঈমান আলীর ৯ টি, মজিবর রহমানের ৬টি, আলতাফ হোসেনের ৪ টি, আলেফ উদ্দিনের ২ টি, শাহজাহান আলীর ২ টি গরু ও ইউসুফ আলীর ৩টি ছাগল ধরে নিয়ে যায়। গবাদি পশুগুলো ভারতের আসামের ধুবড়ী জেলার টাকিমারী ও শিয়ালদহ ক্যাম্পের ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফরা। গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে বিষয়টি বিজিবির চৌদ্দঘড়ি ক্যাম্পে জানানো হয়। পরে বিজিবির পক্ষ থেকে কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে গবাদি পশুগুলো ফেরত চেয়ে শিয়ালদহ বিএসএফ কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার বিকালে ১০৩৩/৬এস পিলারের পাশে এ নিয়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিজিবির পক্ষে চৌদ্দঘরি ক্যাম্প ইনচার্জ হাবিলদার মজবুল হক ও বিএসএফের পক্ষে শিয়ালদহ বিএসএফ ক্যাম্প ইনচার্জ শঙ্খলাল নেতৃত্ব দেন। এ সময়ও বিএসএফ প্রতিনিধির কাছে গবাদি পশুগুলো ফেরত দেয়ার জন্য বলা হয়। ৪ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত গবাদি পশুগুলো ফেরত দেয়নি বিএসএফ।
 
চৌদ্দঘড়ি বিজিবি ক্যাম্প ইনচার্জ হাবিলদার মজবুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, 'সব তথ্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সেখান থেকে জেনে নেন। এর বেশি আমি কিছু বলতে পারব না।'
 
কুড়িগ্রাম ৪৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্ণেল জাকির হোসেন বলেন, 'খবর পেয়ে আমরা কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে গবাদি পশুগুলো ফেরত চেয়েছি পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে। চিঠি পাঠালে বিএসএফ এখন পর্যন্ত সাড়া দেয়নি। আমরা এগুলো ফেরত আনার জন্য চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।