শীতে কাঁপছে উত্তরের মানুষ

আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০১৬, ১১:৪৪
হিমালয়ের চারদিক থেকে ধেয়ে আসছে শৈত্য প্রবাহ। পারদ নিম্নমুখী হওয়ায় রীতিমত শৈত্যপ্রবাহ দিনদিন বেড়েই চলছে, আর থরথর করে কাঁপছে উত্তরের মানুষজন। অন্যদিকে আকাশ মেঘাছন্ন হয়ে যাওয়ায় উত্তরী হাওয়ার অবাধ গতি মানুষের শরীরে হাড় কাঁপিয়ে দিচ্ছে।
 
উত্তরবঙ্গে শীতের দাপট বরাবরই বেশী থাকে। তার ব্যতিক্রম এবারো ঘটেনি, তবে এবারের গত কয়েক দিনের শীত গত কয়েক বছরের তুলনায় অনেক বেশি। বিশেষ করে হিমালয় পর্বত সংলগ্ন রংপুর বিভাগের আট জেলার মানুষজন হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডায় থরথর করে কাঁপছে। 
 
সংশিষ্ট সূত্র জানায়, সরকারিভাবে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে। আরো বিতরণের প্রস্ততি নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সরকারের ত্রাণ ভাণ্ডার থেকে নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, ও রংপুর জেলায় কম্বল পাঠানো হলেও তা প্রয়োজনের চেয়ে অপ্রতুল।
 
ডিমলার ক্ষতিগ্রস্তসহ বিভিন্ন নদীর চর এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আগুনের কুণ্ডলী জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করার চেষ্টা করছে অসহায় পরিবারগুলো। সব থেকে বেশী বিপাকে পড়েছে সহায় সম্বলহীন হতদরিদ্র পরিবারগুলো। শীতের পুরানো গরম কাপড়ের দোকানে শুরু হয়েছে উপচে পড়া ভিড়। এ ছাড়া শীতজনিত রোগে বয়স্ক ও শিশুরা নিউমোনিয়া, হাঁপানী, কোল্ড ডায়রিয়া, কাশিতে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে।
 
জেলা, উপজেলা থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন শীতজনিত রোগির সংখ্যা বাড়ছে। এ অবস্থায় সরকারের ত্রাণ ভাণ্ডার থেকে রংপুর বিভাগের আট জেলায় গড়ে চার হাজার করে কম্বল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। কম্বলগুলো জনসংখ্যা অনুযায়ী বিতরণের অপেক্ষায় রয়েছে।