রাজশাহীতে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ৭

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০১৬, ১৫:১৫
রাজশাহীতে হড়গ্রাম এলাকায় পাগলা কুকুরের কামড়ে সাতজন আহত হয়েছে। এ ঘটনার পর ওই এলাকায় কুকুর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নিজেরাই কুকুর নিধনে নেমে পড়েছে।
 
জানা গেছে, গত সোম ও মঙ্গলবার দুই দিনে হরগ্রাম এলাকায় পাগলা কুকুরের কামড়ে শিশুসহ অন্তত সাত ব্যক্তি আহত হয়। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মঙ্গলবার কুকুর নিধন অভিযান শুরু করে। ওইদিন দুপুর পর্যন্ত তারা এলাকার ৪টি কুকুর পিটিয়ে মেরে ফেলেন। তবে যে কুকুরের কামড়ে এলাকাবাসী আহত হয়েছেন সেটিই মারা সম্ভব হয়নি বলে স্থানীয়রা জানান।
 
এদিকে পুরো মহানগরী জুড়ে বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। সন্ধ্যা নামলেই বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে ওইসব কুকুরের অত্যাচারে পথচারীরা সমস্যায় পড়ছে।
 
জানা যায়, সোমবার সকালে মহানগরীর হড়গ্রাম পূর্বপাড়ায় ১২ বছরের শিশু হাবিবুল্লাহকে পাগলা কুকুরে প্রথম কামড় দেয়। 
 
শিশু হাবিবুল্লাহর মা শেফালী বেগম জানান, সকালে তার ছেলে বাড়ির পাশে খেলা করছিল। এ সময় পাগলা কুকুরটি তেড়ে এসে ছেলেকে কামড় দেয়। এরপর কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এলাকার আরও ছয়জনকে কামড়িয়ে আহত করেছে পাগলা কুকুরটি। তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার সকালে ছেলেকে নিয়ে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে যান ভ্যাকসিন দেয়ার জন্য। কিন্তু সেখানে ভ্যাকসিন পাননি। বাধ্য হয়ে ওষুধের দোকান থেকে চড়া দামে ভ্যাকসিন কিনে দিতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান। 
 
এ বিষয়ে রামেক হাসপাতালের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জরুরি বিভাগে একজন নার্স জানান, সরবরাহ করা ভ্যাকসিন শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই ভ্যাকসিন আসলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।