যৌতুক দিতে না পারায় শিক্ষিকা ডিভোর্সের শিকার

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০১৬, ১৬:১৭
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় যৌতুকের দাবি পূরণ করতে না পারায় এক শিক্ষিকা ডিভোর্সের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
 
জানা গেছে, ক্ষুদ্র ঘোড়াশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ফারজানা আক্তার জেনী উপজেলা সদরের উত্তর পাড়া গ্রামের মৃত নূরুমিয়ার মেয়ে। তিনি তিন বৎসর আগে উপজেলার হিরাকান্দা (কেরানী বাড়ির) সৌদি প্রবাসী মাহবুবুল হাছান মারুফের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে স্বামী তাকে চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। এ জন্য স্বামীর হাতে তিনি প্রতিনিয়তই মারধরের শিকার হন।তাদের ঘরে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বছর খানেক আগে মাহবুবুল সৌদি প্রবাসী হন। কিছু দিন আগে মারুফ দেশে এসে বিদেশে দোকান ক্রয়ের কথা  জানিয়ে জেনীকে বাবার বাড়ি থেকে ছয় লক্ষ টাকা দেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। টাকা দিতে অস্বীকার করায় জেনীর স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে মারধর করে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। পরে তার বরাবরে ডিভোর্সের কাগজপত্র পাঠিয়ে দেয়া হয়।
 
শিক্ষিকা ফারজানা আক্তার জেনী জানান, কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আমলি আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনে  তিনি একটি মামলা করেছেন।এ মামলায় আদালত মাহবুবুল হাছানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।