গত মঙ্গলবার দৈনিক ইত্তেফাকের ১৩ পৃষ্ঠায় ‘পাকুন্দিয়ায় ব্রহ্মপুত্রের বালু ও মাটি হরিলুট’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে প্রশাসনের টনক নড়ে। রবিবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রথম শ্রেণির ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান বাহাদিয়া পাঠান বাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদে ড্রেজার, ৬ হাজার ঘনফুট বালু ও একটি ট্রাক জব্দ করে।
এ সময় মির্জাপুর গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে ট্রাক ড্রাইভার মামুনকে (২০) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পরে থানায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে আটককৃত ট্রাক ড্রাইভার মামুনকে এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। রাত ৯টায় এক লাখ টাকা জরিমানা দিয়ে মামুন থানা থেকে ছাড়া পান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে বালু উত্তোলনের জন্য কাউকে ইজারা দেয়া হয়নি। তা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি এগার সিন্দুর ব্রিজের নিচ ও বাহাদিয়া পাঠান বাড়ি ঘাট থেকে লাখ লাখ ঘনফুট বালু ও পলিমাটি কেটে বিক্রি করছে। এতে সরকার প্রতি বছর লাখ লাখ টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পলিমাটি কাটার ফলে উপজেলার দক্ষিণ চরটেকী, চরআলগী, বাহাদিয়া গ্রামের শত শত ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
