ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ বাধ্যতামূলক করার দাবি ভারতীয় মন্ত্রীর

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, ১৬:৩১
ভারতের কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী মানেকা গান্ধী ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছেন। দেশটিতে বর্তমানে ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু চলতি আইন পাল্টানোর পরামর্শ দিয়েছেন মন্ত্রী।
 
সোমবার এক বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান আইন পাল্টে গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা জন্মের আগেই শনাক্ত করে মায়েদের জানিয়ে দেয়াটা বাধ্যতামূলক করা উচিত।  মন্ত্রী বলেন, বিষয়টি সরকারিভাবেও নথিভুক্ত করতে হবে। এরপর গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যের ওপর বিশেষ লক্ষ রাখতে হবে। যে মায়ের গর্ভে কন্যা ভ্রূণ রয়েছে তিনি শেষ পর্যন্ত সুস্থ কন্যা সন্তানের জন্ম দিলেন কি না তাও দেখা হবে। আর সে কারণে গর্ভের পুরো সময়টা ওই মায়ের উপর নজরদারি রাখতে হবে।
 
 
যদি কোনও কারণে তিনি সুস্থ কন্যা সন্তানের জন্ম না দেন বা আগেই তার গর্ভপাত হয়ে যায়, সেটাও নজরে রাখা হবে। এই পরামর্শ লিখিত আকারে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েও দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মানেকা।
 
 
ভারতে ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ নিষিদ্ধ করে ১৯৯৪ সালে তৈরি হয় প্রি-ন্যাটাল ডায়াগনস্টিক টেস্ট অ্যাক্ট। কন্যা ভ্রূণ হত্যা বন্ধ করতে এই আইন করা হয়। কিন্তু আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দেশটিতে কন্যা ভ্রূণ হত্যা অব্যাহত রয়েছে। যার ফলে, ভারতে এখনও নারী-পুরুষের অনুপাত অসামঞ্জস্যপূর্ণ। মন্ত্রীর মতে, আইন বদলে গর্ভস্থ ভ্রূণের লিঙ্গ জানিয়ে এই নজরদারির প্রক্রিয়াটি কাজে আসতে পারে। এএফপি।