কোয়ার্টার ফাইনাল এই প্রথম নয়। এর আগেও তিন বার বাংলাদেশ দল এই যুব বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে। কিন্তু এই পর্বটা কিছুতেই পার হওয়া হয়নি আগে।
এবার অন্তত সেমিফাইনালে পৌঁছানোর স্বপ্নটা সত্যি করতে চান যুব দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ, ‘বাংলাদেশ এর আগে কখনো সেমিফাইনাল খেলেনি, যদি নেপালের বিপক্ষে জিততে পারি, সেটি অনেক বড় অর্জন হবে।’
গতকাল মিরপুরে অনুশীলন শেষে বাংলাদেশ যুব দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বলেন, ‘বাংলাদেশ এর আগে কখনো সেমিফাইনাল খেলেনি, যদি নেপালের সঙ্গে জিততে পারি, সেটি অনেক বড় অর্জন হবে। এখন যে পর্যায়ে আছি, এখানে হারলে আর সুযোগ নেই। বাদ পড়ে যেতে হবে। আগের চেয়ে মনোযোগ আরও বেশি থাকবে। যেহেতু নক আউট খেলা। জিতলে ওপরে যাব, হারলে নিচে নেমে যেতে হবে। এখানে কাউকে ছাড় দেয়ার সুযোগ নেই।’
প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেয়ার সুযোগ নেই জানিয়ে বাংলাদেশ যুব দলের অধিনায়ক বলেন, ‘নেপালকে সহজভাবে নেয়ার কিছু নেই। ওরা যেহেতু কোয়ার্টার ফাইনালে কোয়ালিফাই করেছে, অবশ্যই তারা ভালো দল। ওদের হালকাভাবে নিলে আমাদের সমস্যা হবে। যেভাবে দিনে দিনে উন্নতি করছি, যেভাবে চলছে, ওই প্রসেসে থাকব। ইনশাআল্লাহ ভালো কিছু হবে।’ প্রতিপক্ষ নেপালের শক্তি-দুর্বলতা প্রসঙ্গে মিরাজ বলেন, ‘ওদের ব্যাটসম্যানরা শুরুতে শট খেলতে চায়। ওদের একটা-দুইটা ভালো বোলার থাকতে পারে। তবে আমাদের ভালো খেলার মানসিকতা থাকতে হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে মিরাজ বলেন, ‘যেহেতু কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছি, এটা আমাকে অনুপ্রাণিত করছে। ভালো লাগছে। এর আগে মুশফিক ভাইয়েরা ভালো পজিশনে ছিল। আমাদের সামনেও ভালো হওয়ার সুযোগ রয়েছে। চেষ্টা করব সুযোগটা কাজে লাগানোর।’
অধিনায়কত্ব উপভোগ করেন জানিয়ে মিরাজ বলেন, ‘নেতৃত্ব খুবই উপভোগ করি। খেলোয়াড়রা সবাই ভীষণ সহায়তা করে। দলের সবাই পারফর্ম করছে। অধিনায়ক হিসেবে এটাই চাই, সবাই পারফর্ম করবে, দল ভালো করবে। অধিনায়ক হিসেবে আমি ভালো খেললে এবং দলের সবাই পারফর্ম করলে ভালো ফল পাব।’
আগের ম্যাচগুলো যেভাবে খেলেছেন সামনের ম্যাচ সেভাবে খেলবেন জানিয়ে এই অলরাউন্ডার বলেন, ‘ব্যাটসম্যান-বোলাররা যা করছে সেটাই করবে, নতুন করে কিছু করব না। নতুন কিছু করতে গেলে সমস্যা হবে। আগের তিনটা ম্যাচ যেভাবে খেলেছি, কোয়ার্টার ফাইনালও সেভাবে খেলব।’
