বাংলাদেশে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের শুমারি শুরু হয়েছে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির বসবাস রয়েছে কক্সবাজারসহ এমন ৬টি জেলায় একযোগে এ শুমারি শুরু হয়।
সরকার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় শুক্রবার সকাল থেকে কক্সবাজারে এ শুমারির কাজ শুরু হয়।
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ও টেকনাফের লেদার দুটি শরণার্থী ক্যাম্পে নিবন্ধিত রোহিঙ্গা রয়েছে প্রায় ৩৩ হাজার। এ ছাড়া কুতুপালং, লেদা ও শামলাপুরে রয়েছে আরো ৩টি অনিবন্ধিত শরণার্থী ক্যাম্প। এ তিনটি অনিবন্ধিত ক্যাম্পসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে অন্তত আরো ৫ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা। যাদের কোন সঠিক পরিসংখ্যান সরকারের কাছে নেই।
পরিসংখ্যান ব্যুরো কক্সবাজার কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. ওয়াহিদুর রহমান জানান, শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এ শুমারি মাঠ পর্যায়ের প্রাথমিক তালিকা তৈরির কাজ চলবে বুধবার পর্যন্ত। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির বসবাস রয়েছে কক্সবাজারসহ এমন ৬টি জেলায় এ শুমারির কাজ শুরু হয়েছে। অন্য ৫টি জেলা হল- চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও পটুয়াখালী।
সংগৃহিত তালিকা থেকে যাছাই-বাছাই করে শুধু রোহিঙ্গাদের আলাদা তালিকা তৈরি করা হবে। মার্চের শেষ দিকে রোহিঙ্গাদের তালিকাভূক্তির চূড়ান্ত শুমারি হবে। এরপর শুমারিতে তালিকাভূক্ত রোহিঙ্গাদের মাঝে পরিচয়পত্র প্রদান করা হবে।
কক্সবাজারে ১ হাজার ৯০ জন গণনাকারী ও ১১০ জন সুপারভাইজার প্রাথমিক তালিকা তৈরির কাজ করছেন বলে জানান পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ওয়াহিদুর রহমান।
