চাকরির জন্য তদরির হর-হামেশাই দেখা যায়। প্রায় দেড় শতাব্দী আগেও এমনটা ছিলো। এ ধরনের একটি সুপারিশ খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনই করেছিলেন। ১৮৬৩ সালের ১২ মে তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ট্রাস্টের এক বোর্ড মেম্বারকে চিঠি লিখেছিলেন লিংকন। সেখানে তিনি জর্জ বেয়ার্ড নামে এক যুবককে ব্যাংকে চাকরি দেয়ার জন্য সুপারিশ করেছিলেন। তবে চিঠির বাক্যগুলো একটু হলেও এখনকার সময়ের চেয়ে ব্যতিক্রম ছিলো। আব্রাহাম চিঠিতে লিখেছিলেন, যদি আপনার কোনো সমস্যা না হয় এবং অন্য কোনো ব্যক্তির সঙ্গে অবিচার করা না হয় সেক্ষেত্রে আপনি এটা করতে পারেন। তবে জর্জের যোগ্যতা ও দক্ষতা নিয়ে তিনি কিছুই চিঠিতে উল্লেখ করেননি। তিনি শুধু বলেন, জর্জের চাচাকে তিনি চিনতেন যিনি গৃহযুদ্ধে মারা গেছেন। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চিঠিতে লিংকনের স্বাক্ষর ছিলো। তবে জর্জ চাকরিটা পেয়েছিলেন কিনা সেটা নিশ্চিত নয়। এ বিষয়ে কোম্পানিটির পূর্ণাঙ্গ তথ্য মেলেনি।
বর্তমানে এ ধরনের সুপারিশ করা মার্কিন প্রেসিডেন্টর জন্য অবৈধ কোনো বিষয় নয় বলে মনে করেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের তত্কালীন নৈতিক পরামর্শক ও আইনজীবী রিচার্ড পেইন্টার।
