কন্যা হত্যার দায়ে ভারতের মিডিয়া টাইকুন পিটার মুখার্জির উপর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। গত নভেম্বরে পুলিশের কাছে গ্রেফতার হন স্টার ইন্ডিয়ার সাবেক এই প্রধান নির্বাহী। যদিও এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, কন্যা হত্যার সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
শিনা বোরা হত্যাকাণ্ডে কিছুদিন আগেই তোলপাড় হয়ে যায় ভারতীয় মিডিয়া। একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসতে থাকে। নিহত শিনা বোরা নামের ওই তরুণীকে প্রথমে মুখার্জির স্ত্রীর বোন বলে ধারণা করা হলেও পরে জানা যায় তিনি মিডিয়া মোঘলের সৎ কন্যা ছিলেন।
পুলিশ এ ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে ওই তরুণীর মা ইন্দ্রা মুখার্জির নাম প্রকাশ করে। ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ইন্দ্রা মুখার্জির সাবেক স্বামীকেও গ্রেফতার করে পুলিশ।
হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্যদের মতো পিটার মুখার্জির বিরুদ্ধে একই অভিযোগ আনা হয়েছে বলে জানায় বার্তা সংস্থা এএফপি। ২০০৯ সালে শিনা বোরাকে হত্যার সঙ্গে মিডিয়া মোঘল মুখার্জি, তার স্ত্রী ও গাড়ির চালক এবং অন্যান্যরা জড়িত ছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে পিটার মুখার্জি জানান, তিনি তার অভিযোগ নিয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করবেন এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা নেই বলেও দাবি করেন।
২০১২ সালে মুম্বাই থেকে ১০০ মাইল দূরে একটি গ্রামে শিনা বোরার মরদেহ উদ্ধার করে গ্রামবাসী। তখনও কেউ ধারণা করতে পারেনি যে এটা শিনা বোরার মরদেহ। কারণ পিটার মুখার্জি ও তার স্ত্রী দাবি করে আসছিলেন যে তাদের মেয়ে ভারত ত্যাগ করে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছে।
এরপর ডিএনএ টেস্টে সত্য বেরিয়ে আসে এবং একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসতে থাকে।
