বঙ্গবন্ধুর ছবি ‘বিকৃতি’ নিয়ে নতুন করে বিরোধে জড়ানোর পর চট্টগ্রামে নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও দলের সংসদ সদস্য এম এ লতিফকে একমঞ্চে দেখা দেখা গেছে।
শনিবার চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় র্যাব-৭ এর এক অনুষ্ঠানে তিনবারের সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন ও দুইবারের সংসদ সদস্য লতিফ দুইজনই বক্তব্য রাখেন, যাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
বন্দর আসনের সংসদ সদস্য লতিফ বন্দর ইস্যুতে মহিউদ্দিনবিরোধী। ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেল, চট্টগ্রাম চেম্বার ও চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন বিষয়ে একাধিকবার মহিউদ্দিনের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় বন্দর আসনের সংসদ সদস্য লতিফের নামে স্থাপিত বিলবোর্ডে বঙ্গবন্ধুর ছবি বিকৃতি ধরা পড়ার পর গত ১৫ ফেব্রুয়ারি নিজ দলের এই সংসদ সদস্যকে চলাফেরায় সতর্ক করে চট্টগ্রামে ‘অবাঞ্ছিত’ঘোষণা করেছিলেন নগরীর তিনবারের মেয়র মহিউদ্দিন। এ ঘটনার তিনদিন পর গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সংসদ সদস্য লতিফ ‘জীবননাশের হুমকির শঙ্কা’প্রকাশ করে মহিউদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে অনলাইনে চট্টগ্রামের ১৬টি থানায় সাধারণ ডায়েরির (জিডি) আবেদন করেন। এর মধ্যে শুধুমাত্র নগরীর বন্দর থানায় জিডিটি গ্রহণ করা হয়।
বিভিন্ন সময়ে র্যাবের হাতে জব্দ মাদক ধ্বংস করা উপলক্ষে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় এ দুইজন এক মঞ্চে থাকলেও তাদেরকে কোনো কথা বলতে দেখা যায়নি।
মঞ্চে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডান পাশে ছিলেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন ও সংসদ সদস্য লতিফ এবং বাম পাশে র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ ও মহিউদ্দিন চৌধুরী।
আলোচনা সভার পর মাদক ধ্বংস করার সময়ও দুইজন সবার সঙ্গে ছিলেন। এ সময় মেয়র নাছির ছাড়াও মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে লতিফের পক্ষে বিবৃতি দেয়া রাউজানের সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীকেও সেখানে দেখা যায়।
