স্বপ্ন ছিল তরুণদের নিয়ে কাজ করার। আর সেই স্বপ্নই এবার পূরণ হতে চলেছে মাশরাফি বিন মর্তুজার। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) জাতীয় শুভেচ্ছা দূত হওয়াতে সেই স্বপ্নটা আরও বড় করে দেখছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।
আগেই জানা গিয়েছিলো জাতিসংঘের শুভেচ্ছাদূত হচ্ছেন মাশরাফি। বৃহস্পতিবার ছিল তার আনুষ্ঠানিকতা। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর নিকুঞ্জে অবস্থিত লা মেরিডিয়ান হোটেলে মাশরাফি বিন মর্তুজার সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করেন ইউএনডিপির আবাসিক সমন্বয়ক রবার্ট জি ওয়াটকিনস।
ইউএনডিপির শুভেচ্ছা দূত হিসেবে তরুণদের কর্মসংস্থানে উৎসাহিত করবেন মাশরাফি। কর্মসংস্থান হবে তথ্য-প্রযুক্তির স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের মাধ্যমে। টেকনোলজির ব্যবহারের মাধ্যমে অনলাইনে কাজ করার জন্য ২৫ হাজার কিশোর-কিশোরীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায়।
মাশরাফি মনে করেন এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাবে তরুণ-তরুণীরা। কর্মসংস্থানের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত দেশে পরিনত হবে বাংলাদেশ-এমন স্বপ্ন দেখেন মাশরাফি। চুক্তি সম্পন্নের পর নিজের অনুভূতি জানান মাশরাফি, আমার স্বপ্ন ছিল তরুণদের নিয়ে কাজ করার। আমি এ সুযোগ পেয়ে অনেক খুশি। আমি বিশ্বাস করি তরুণরাই দেশকে এগিয়ে নেবে। এ দেশের তরুণদের অনেক মেধা আছে। তাদের মাধ্যমেই উন্নয়নশীল দেশে থেকে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে।
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) শুভেচ্ছা দূত হিসেবে এর আগেও ক্রিকেটারদের বেছে নেওয়া হয়েছে। শ্রীলঙ্কায় যেমন মুত্তিয়া মুরালিধরন, পাকিস্তানে শহীদ আফ্রিদি ও ভারতে কাজ করছেন শচিন টেন্ডুলকার। এবার বাংলাদেশ থেকে যোগ হলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। বাংলাদেশে তার আগে এই দায়িত্বপালন করেছিলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
