কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার রাজা-চাপিতলা গ্রামে ১৯৭১ সালের ৩১ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাক হানাদারদের গুলিতে তিন মুক্তিযোদ্ধাসহ ৫১ জন নারী-পুরুষ শহীদ হওয়ার ঘটনার ৪৫ বছরেও স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়নি।
চাপিতলা ইউপি চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ ভূইয়া শহীদদের স্মৃতি রক্ষার্থে চাপিতলা গ্রামে স্মৃতিসৌধ নির্মাণের জন্য ২০১৪ সালের ৩১ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর কাছে আবেদন করলে তিনি বিষয়টি তালিকাভুক্ত করার জন্য সচিবকে নির্দেশ দেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এএম মোক্তার হোসেন মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থানসমূহ সংরক্ষণ শীর্ষক প্রণয়ন প্রকল্পে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ২০১৪ সালের ১২ অক্টোবর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেন (যার স্মারক নং ৪৫০)। কিন্তু এক বছর চার মাস অতিবাহিত হলেও মন্ত্রীর নির্দেশ উপেক্ষিত হয়ে আছে।
এ বিষয়ে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কান্ডার মো. হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘আমরা এ ব্যাপারে কয়েক বার তদবির করেও কোনো ফলাফল পাই নাই। এখন স্থানীয়ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’
মুরাদনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ আব্দুল কাইউম খসরু বলেন, ‘ওই খানে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের নামের তালিকা আমি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কান্ডারের কাছে চেয়েছি। নামের তালিকা পেলে অচিরেই চাপিতলা প্রাথমিক স্কুল মাঠে শহীদদের নাম উল্লেখ করে স্মৃতিসৌধ নির্মাণের কাজ শেষ হবে।’
