‘সুখ-সুস্থতায় এগিয়ে ফেসবুক প্রজন্ম’

আপডেট : ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, ১২:২৮
সময়ের সাথে সাথে মানুষের অনলাইনে অংশগ্রহণ বাড়ছে। এতে মানুষের নির্ভরশীলতা তৈরি হচ্ছে ফেসবুকের মতো বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উপর। একে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মূল্যায়ন করে থাকেন অনেকে। এই পরিস্থিতিতে সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, বর্তমান কিশোরকিশোরীদের সুস্থ-সুখী রাখতে ভূমিকা রাখে এই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলো।
 
এই গবেষণার ফলাফল মতে, এখন থেকে এক দশক আগের কিশোরকিশোরীদের চেয়ে ‘ফেসবুক প্রজন্ম’ অনেক বেশি সুখী ও স্বাস্থ্যবান।
 
‘ইউরোপিয়ান জার্নাল অব পাবলিক হেলথ’তে প্রকাশিত ওই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৈশোর মানুষের জীবনের সবচেয়ে সংকটকালীন সময়। এই সময় থেকে মানুষ প্রাপ্তবয়স্ক হতে শুরু করে। কিন্তু আজ থেকে এক দশক আগে সুস্থ বিনোদনের অভাবে এই বয়সীরা অসুখ ও স্বাস্থ্যহীনতায় ভোগতো। কিন্তু বর্তমানে এই অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। আর ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণেই এটা হয়েছে।
 
১১ থেকে ১৫ বছর বয়সীদের ‘ফেসবুক প্রজন্ম’ বলে উল্লেখ করে এতে আরও বলা হয়েছে, ১০ বছর আগের চেয়ে বর্তমানে ড্রাগ বা অ্যালকোহল বা ধূমপান আসক্ত কিশোরদের সংখ্যা অনেক কমে গিয়েছে।
 
গবেষণার কো-অর্ডিনেটর স্ট. অ্যান্ডিউজের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ফেসবুক প্রজন্ম নিয়মিত ফলমূল-শাকসবজি খায়, ব্যায়াম করে, দাঁত ব্রাশ করে, নানা বিষয় নিয়ে বাবা-মার সাথে আলোচনা করে।
 
এই গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে মানুষের ফ্যাশন, আচরণ ও সামাজিকতায় পরিবর্তন এসেছে। এসবই কিশোরদের জীবন-আচরণে প্রভাব ফেলেছে।