সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার নয়টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতার জন্য দলীয় মনোনয়ন পেতে নড়েচড়ে বসেছেন নেতাকর্মীরা। তদবির শুরু করেছেন ৯০ জন।
প্রথমবারের মতো জাতীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন হচ্ছে বলে এ নিয়ে নেতাকর্মীদের আগ্রহের কমতি নেই।
সদ্যসমাপ্ত পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের জয় ও বিএনপি পরাজিত হওয়ার কারণে বিএনপির তৃণমূলের কর্মীরা হতাশ। তবে দিরাইয়ের রাজনীতি দলে নয়, বিভক্ত সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ও নাছির উদ্দিন চৌধুরীকে কেন্দ্র করে।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বলছেন, এবারের ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী মনোয়নের ক্ষেত্রে ভুল করলে জয়লাভ করা কঠিন হবে। বিএনপির ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বলছেন, মনোনয়ন বাণিজ্যের আশায় প্রার্থী মনোনয়ন করলে শুধু নির্বাচনে পরাজয় নয়, দলের বিপর্যয়ও ঠেকানো যাবে না।
রফিনগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট অভিরাম তালুকদার, শাহিদ মিয়া, মহসিন রেজা, রেজোয়ান খান ও মামুন মিয়া। বিএনপি সমর্থিত ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাজী লুত্ফুর রহমান ও বদরুল আলম।
ভাটিপাড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম আলোচনায় আসছে তারা হলেন-বর্তমান চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, সোহাদ চৌধুরী, শহিদুর রহমান চৌধুরী, পাখি চৌধুরী, রুহুল আমিন, শাহাজাহান কাজী, সুমন্ত চন্দ্র দাস ও মাহবুব চৌধুরী। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী তালিকায় বেলাল আহমদ, সেজু মিয়া, ফখরুর ইসলাম ও নবাব তালুকদার।
রাজানগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন, সৌম্য চৌধুরী, শফিকুল হক,বর্তমান চেয়ারম্যান আকিক আহমদ মধু ও আবদুল হান্নান। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন, হুমায়ুন কবির, নওশেরান চৌধুরী ।
চরনারচর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা হলেন, পরিতোষ রায়, রাতুল চৌধুরী, জগদীশ সামন্ত, জয়কুমার বৈষ্ণব ও প্রশান্ত রায়। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা হলেন-রতি কান্ত দাস, জলিল মিয়া, সামছুল হক তালুকদার ও রতন তালুকদার।
সরমঙ্গল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত রঞ্জিত কুমার রায়, বাবুল চৌধুরী, আবু বকর ও ধন মিয়া। বিএনপি সমর্থিত সম্ভাব্য প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান এহচান চৌধুরী ও মোয়াজ্জেম হোসেন জুয়েল।
করিমপুর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আছাব উদ্দিন সরদার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শাহাজাহান সরদার, রাজীব চৌধুরী, দীপক চৌধুরী, অ্যাডভোকেট শহিদুল হাসমত কোখন ও শাহ আলম সরদার। বিএনপি সমর্থিত আবদুর রহিম, সেলিম সরদার ও সুজাত আহমদ।
জগদল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুস সালাম, হুমায়ুন রশিদ লাভলু, আবু এহিয়া, ইফতিয়াখ হোসেন মঞ্জু, বাদশা মিয়া, আবদুল মন্নান, ছুবা মিয়া, জিল্লুল মিয়া। বিএনপি সমর্থিত সাবেক চেয়ারম্যান মুখলেছুর রহমান লাল মিয়া, আলী রব ও কামরুল ইসলাম।
তাড়ল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আকিকুর রেজা পুলিশ, দোলন চৌধুরী, আহমদ চৌধুরীও সামছুল হক। বিএনপি সমর্থিত বর্তমান চেয়ার নুরুল হক ও আবদুল কদ্দুস।
কুলঞ্জ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ছুফি মিয়া, বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুল আহাদ মিয়া, মিলন মিয়া, একরার হোসেন, পবিত্র কুমার তালুকদার, ইসহাক মিয়া, মাসুক মিয়া, মতিন মিয়া, নজরুল ইসলাম শিশু মিয়া, শফিকুল ইসলাম টিটু, ফজলে রাহি রাব্বি। বিএনপি সমর্থিত আলাউর রহমান আলা মিয়া, মুজিবুর রহমান ও আবদুর রহিম।
