ডেভিড মিলারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ডারবানে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে জয় পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দেড়শ’ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে এক সময়ে বিপদে পড়ে যাওয়া স্বাগতিকদের জয় এনে দিতে এই সংস্করণে নিজের প্রথম অর্ধশতক করেছেন ‘কিলার’ মিলার।
তিন উইকেটের জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। আগামী জোহানেসবার্গে হবে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি। শুক্রবার ডারবানের কিংসমিডে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ১৫৭ রান করে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে চার বল বাকি থাকতে ৭ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম বলেই এবি ডি ভিলিয়ার্সকে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০১০ সালের পর এই প্রথম টি-টোয়েন্টিতে শূন্য রানে আউট হলেন ডি ভিলিয়ার্স।
অধিনায়ক ফাফ দু প্লেসিস ছাড়া প্রথম চার ব্যাটসম্যানের আর কেউ দুই অঙ্কে যেতে পারেননি। ২৬ বলে দু প্লেসির ৪০ রানের চমৎকার ইনিংসের পরও বিপদ কাটেনি স্বাগতিকদের। তবে ৭২ রানে পাঁচ উইকেট হারানো দলটির আশা বাঁচিয়ে রাখেন মিলার। তার দাপুটে ব্যাটিংয়ে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা। ৪১তম ম্যাচে এসে প্রথম অর্ধশতক পাওয়া এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান অপরাজিত থাকেন ৫৩ রানে। তার ৩৫ বলের ইনিংসটি তিনটি করে ছক্কা ও চার সমৃদ্ধ। অস্ট্রেলিয়ার নাথান কোল্টান-নাইল তিন উইকেট নেন ২৯ রানে।
IMG0
এর আগে অ্যারন ফিঞ্চ ও ডেভিড ওয়ার্নারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে উড়ন্ত সূচনা পায় অস্ট্রেলিয়া। এই দুই জনের তাণ্ডবে প্রথম ৬ ওভারে ১ উইকেটে ৬৯ রান সংগ্রহ করে অতিথিরা। ১৮ বলে ৪০ রান করে ইমরান তাহিরের শিকারে পরিণত হন ফিঞ্চ। ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো তিন নম্বরে নামা ওয়ার্নার ১১ বলে করেন ২০ রান। শুরুর ঝড় ধরে রাখতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। শেষ ১৪ ওভার আট উইকেট হারিয়ে ৮৮ রান করে দলটি। শেষ পর্যন্ত সংগ্রহ দেড়শ’ পার হওয়ায় দারুণ অবদান রয়েছে মিচেল মার্শের। ২৫ বলে ৩৫ রানের কার্যকর এক ইনিংস খেলেন এই অলরাউন্ডার। ২১ রানে তিন উইকেট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা বোলার লেগ স্পিনার তাহির। এছাড়া দুটি করে উইকেট নেন ডেভিড ভিসে ও কাগিসো রাবাদা। ক্রিকইনফো।
