নির্ঝঞ্ঝাট জীবনের জন্য হিসাবনিকাশের তুলনা নেই। অর্থের যথাযথ ব্যবস্থাপনা মানুষকে নানান দুর্ভোগ থেকে রক্ষা করে থাকে। একটা সময় হিসেব রাখার জন্য খাতা-কলমের দ্বারস্থ হওয়া লাগতো। তবে এখন আর সেই ঝামেলা নেই।
এখন হাতে থাকা স্মার্টফোনেই এই কাজ সারা যায়। এ জন্য অবশ্য কাজ উপযোগী বিশেষ কিছু অ্যাপ ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিতে হবে। এক্ষেত্রে সেরা পছন্দ হতে পারে এই প্রতিবেদনে তুলে আনা ছয় অ্যাপ। এই অ্যাপগুলো দিয়ে দৈনন্দিন নানা হিসাবনিকাশের পাশাপাশি বাজেটিং এবং পার্সোনাল ফিনান্সের হিসেব রাখাও সহজ।
ওয়ালেট
অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওস এই দুই প্ল্যাটফর্মের জন্য পাওয়া যাবে ‘ওয়ালেট’। মিলবে নিখরচায়। এতে নিজের মাসিক আয় প্রথমে সেট করে একটা বাজেট তৈরি করতে হয়। তারপর একের পর এক খরচের রেকর্ড রাখলেই অ্যাপ জানিয়ে দেবে কেমন খরচের হাত আপনার।
ওয়ালি
এই অ্যাপেরও অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওস দুই সংস্করণ রয়েছে। এটিও বিনামূল্যের। এতে একটা সেভিংস টার্গেট, কতটা খরচ করতে চান সেই বাজেট এবং আয় সেট করতে হয় প্রথমে। কতটা টাকা জমছে তা হিসেব কষে দেবে অ্যাপ নিজেই। কোন কোন খাতে আপনি বেশি খরচ করছেন তাও জানিয়ে দেবে।
লেভেল মানি
এই অ্যাপটিকে ডাউনলোড করে সিংক করতে হয় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং ক্রেডিট কার্ড অ্যাকাউন্টের সঙ্গে। এই দিনে, এই সপ্তাহে বা এই মাসে কত টাকা আপনি খরচ করতে পারেন, তা আপনা থেকেই হিসেব করে বলে দেবে অ্যাপ। অবশ্যই আপনাকে আয়ের হিসেব দিতে হবে আগে।
স্পেনডি
এরও অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস ভার্সন রয়েছে। বিভিন্ন খাতে কী কী খরচ হয়েছে তা খুব সহজে লগ-ইন করে অ্যাপে রেকর্ড করা যায়। বিভিন্ন বিলের রসিদের ছবি তুলে অ্যাপে স্টোর করে রাখতে পারবেন।
মিন্ট
ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস সংস্করণ রয়েছে। শুধু জমা-খরচের হিসেব নয়, আপনার সামগ্রিক আর্থিক অবস্থা কেমন তা ভাল করে খতিয়ে দেখবে অ্যাপ। পার্সোনাল বাজেট ম্যানেজমেন্টের রাস্তাও বাতলাবে। এই অ্যাপেও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং ক্রেডিট কার্ড ডিটেলস সিংক করা যায়।
এক্সপেন্সিফাই
যারা ব্যবসা করেন এবং ব্যবসার জন্য যাদের নানা জায়গায় ঘুরে বেড়াতে হয় তাদের জন্য খুব কাজের অ্যাপ। এটিও ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস সংস্করণে মিলবে। এই অ্যাপের সঙ্গেই রয়েছে স্মার্টস্ক্যান ফিচার, যা দিয়ে বিলের ছবি তুললে অ্যাপ খরচের হিসেবে যোগ করে দেবে পরিমাণ। এছাড়া রয়েছে অটোমেটিক কারেন্সি কনভার্সন, ট্রাভেল মাইলেজ ইত্যাদি ফিচার।
