এক ভারতীয় মেয়েসহ এবার আটজন বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় টেকনাফের ফিসারিজ জেটি থেকে এই সাঁতার শুরু হয়। এরপর ফ্রি স্টাইল সাঁতারে ১৬ দশমিক ১ কিলোমিটার সমুদ্র পথ পাড়ি দিয়ে সেন্টমার্টিন দ্বীপের জেটি সংলগ্ন সমুদ্রতীরে গিয়ে এই সাঁতারের ১১তম আসর শেষ হয়।
এভারেস্ট একাডেমি ও ষড়জ অ্যাডভেঞ্চারের আয়োজনে এবং ওয়ালটনের পৃষ্ঠপোষকতায় এবারের সাঁতারে বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্টজয়ী মুসা ইব্রাহীম (৬ ঘণ্টা ১৫ মিনিট), ভারতের ইংলিশ চ্যানেলজয়ী সাঁতারু রিতু কেডিয়া (৩ ঘণ্টা ৪০ মিনিট), এর আগে ১০ বার বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেয়া লিপটন সরকার (৬ ঘণ্টা ২ মিনিট), গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের সাঁতারের প্রশিক্ষক ফজলুল কবির সিনা (৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিট), চারবার পাড়ি দেয়া বাংলাদেশ টেলিভিশনের চিত্রগ্রাহক মনিরুজ্জামান (৬ ঘণ্টা ১০ মিনিট), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থী শাহাদাত বাশার (৫ ঘণ্টা) ও সাবেক শিক্ষার্থী শামসুজ্জামান আরাফাত (৪ ঘণ্টা ৪০ মিনিট) এবং এআইইউবির ফ্যাকাল্টি পারভেজ রশিদ (৫ ঘণ্টা ৪০ মিনিট) সফলভাবে সাঁতার শেষ করেন। উল্লেখ্য, লিপটন সরকার, মনিরুজ্জামান এবং পারভেজ রশিদ ইংলিশ চ্যানেল সাঁতারে পাড়ি দেয়ার জন্য প্রস্তুতি হিসাবে এবার বাংলা চ্যানেল সাঁতারে অংশ নেন।
২০০৬ সাল থেকে শুরু হওয়ার পর টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপ পর্যন্ত বাংলা চ্যানেল সাঁতারের এবার ১১ বছর পূর্তি হচ্ছে। বাংলা চ্যানেলের আবিষ্কারক কীর্তিমান ফটোগ্রাফার ও স্কুবা ডাইভার মরহুম কাজী হামিদুল হকের (১৯৪৯Ñ২০১৩) স্মরণে এবারের সাঁতার আয়োজন করা হয়। গাইড বোট এবং রেসকিউ বোট ও স্বেচ্ছাসেবকরা সাঁতারুদের সহযোগিতা করে। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট করে টপ অব দি ওয়ার্ল্ড এবং সহযোগিতায় ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এক্সট্রিম বাংলা এবং নর্থ আলপাইন ক্লাব বাংলাদেশ।
