চলমান ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করছে আফগানিস্তান। বাছাইপর্ব পেরিয়ে মূলপর্বেও নিজেদের নৈপুণ্য প্রদর্শন করছে দলটি। এর আগে বাছাইপর্বে নৈপুণ্য দেখায় আরেক সহযোগী দেশ ওমানও।
এবারের আসরটির মূলপর্ব সাজানো হয়েছে ১০ দল নিয়ে। আগামী ৫০ ওভারের বিশ্বকাপেও খেলবে ১০ দল। ফলে সুযোগ কমে যাচ্ছে আইসিসির সহোযোগী দেশগুলোর। সেই সঙ্গে ক্রিকেট বিশ্বায়নে নিজেদের পরিচিতি তুলে ধরতে পারছে না আফগান, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ড ও ওমানের মতো প্রতিভাসম্পন্ন দলগুলো।
এই আক্ষেপই ঝড়েছিল বাছাইপর্ব থেকে বিদায় নেয়া নেদারল্যান্ডসের অধিনায়কের কণ্ঠেও। এজন্য সহযোগী দেশগুলোকে আরও বেশি সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ইয়ান চ্যাপেল, ব্র্যায়ান লারা, শচীন টেন্ডুলকার ও মাইকেল ভনের মতো ক্রিকেট কিংবদন্তিরা। তাদের মতে, ক্রিকেট বিশ্বায়নে ছোট দেশগুলোকে ছেঁটে ফেলা উচিৎ হচ্ছে না।
ইএসপিএনক্রিকইনফোকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক ইয়ান চ্যাপেল বলেন, ‘ক্রিকেট বিশ্বায়নে ২০ ও ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে সহোযোগী দেশগুলোর থাকাটা একান্ত কাম্য।’ এছাড়া ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ভন এক টুইটবার্তায় জানান, ‘আগামী বিশ্বকাপে আফগানের মতো দলকে দেখতে না পারাটা হবে লজ্জার।’
ক্রিকেটের বরপুত্র ব্রায়ান লারা জানান, ‘আফগান ব্যাটসম্যানদের আগ্রাসী মনোভাব দারুণ। আইসিসির কাছে অনুরোধ করছি ভবিষ্যতে সহোযোগী দেশগুলোকে যেন ছেঁটে ফেলা না হয়।’ লারা তার এই বক্তব্যে সঙ্গে শচীন, শেন ওয়ার্ন, গেইল, কোহলি ও এবি ডি ভিলিয়ার্সকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।
লারার টুইটের সঙ্গে নিজের সম্মতি জানিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট ইশ্বর শচীন টেন্ডুলকার। তিনি বলেন, ‘আমি একমত, আফগান ও ওমানের ক্রিকেট স্প্রিরিট অসাধারণ। সুতরাং বিশ্বকাপে আরো দলের অন্তর্ভূক্তি খুবই জরুরি।’
