মুমূর্ষু এক রোগীর জীবন বাঁচালো যুদ্ধবিমান এফ-১৬ ফাইটার। সম্প্রতি নরওয়েতে এমন ঘটনা ঘটে। নরওয়ের বোডোতে মুমূর্ষু এক রোগীকে হাসাপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে ইসিএমও মেশিন ছিল না যার মাধ্যমে ফুসফুস ও লাংগস পরীক্ষা করা হয়। এই মেশিন ছাড়া তাকে বাঁচানোও সম্ভব ছিলনা।
কিন্তু নিকটবর্তী হাসপাতাল ছিল ২৮০ মাইল দূরে। গাড়িতে যেতে সময় লাগবে ১০ ঘণ্টা। কিন্তু এতটা সময় রোগীকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হতোনা।
এমন সময় শেষ ভরসা হিসেবে তারা বিমান বাহিনীর সাথে যোগাযোগ করে। বোডোতে সময়মতো সেই মেশিন নিয়ে আসার একমাত্র উপায় ছিল বিমান।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল বর্জ স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘সেসময় দুইটি বিমান সেখানে অনুশীলন করছিল। এর মধ্যে একটি যুদ্ধবিমানে কার্গো ট্যাংক নয়ে সম্ভব ছিল। আমি একটি বিমানকে সেই মেশিন নিয়ে আসার নির্দেশ দেই।’
এর আগেও সামরিক বাহিনী বেসামরিক নাগরিকদের মেডিকেল সহায়তা দেয়ার নজির থাকলেও এফ-১৬ বিমান ব্যবহার এই প্রথম।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল ক্লেপ্পে বলেন, ‘আমরা সাধারণত ৩৫ মিনিট আকাশে ব্যয় করি। কিন্তু সেদিন আমরা বেশি সময় দেই। ২৫ মিনিট বেশিক্ষণ আমরা বিমানে অবস্থান করি।
বোডোর হাসপাতালের কলের ৪০ মিনিটের মধ্যে তারা ব্যবস্থা নেন। ক্লেপ্পে ১৩ বছর ধরে এফ-১৬ চালাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘সমাজে এভাবে অবদান রাখাটা দারুণ। এটাতে মানসিক প্রশান্তি পেয়েছি।’
ডাক্তাররাও বিমান বাহিনীর প্রশংসা করেন। ইউনিভার্সিটি হসপিটাল অফ ট্রমসোর পরিচালক জানান, ‘আমরা সামরিক বাহিনী থেকে এমন সাহায্য পাওয়ায় সত্যিই খুব কৃতজ্ঞ। রোগীর জন্য সেই মেশিন খুবই দরকার ছিল।
