আফ্রিকায় দুর্ভিক্ষে পাঁচ কোটি মানুষ

আপডেট : ২২ মে ২০১৬, ১৭:৪৮
ফসলের ভালো ফলন না হওয়ায় আফ্রিকায় দুর্ভিক্ষের মুখে পড়েছে ৫ কোটি মানুষ। ধারণা করা হচ্ছে এল নিনোর প্রভাবে ফসলের ফলন ব্যাহত হওয়ায় এই দুর্ভিক্ষের সৃষ্টি।
 
এল নিনো হচ্ছে সমুদ্রের উপরিভাগের জলের তাপমাত্রার একটি নিরবচ্ছিন্ন পরিবর্তন।  পূর্ব-কেন্দ্রীয় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় শান্ত সমুদ্রের জলের গড়পড়তা তাপমাত্রায় যখন কমপক্ষে ০.৫° সেলসিয়াস হ্রাস-বৃদ্ধি হয় তখনকার পরিস্থিতিকে এল নিনো বলে বিবেচনা করা হয়৷ ২ থেকে ৭ বছর পরপর এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়।
 
২০১৫ সালকে সবচেয়ে উষ্ণতম বছরে পরিণত করতে ভূমিকা রেখেছে এল নিনো। এ বছরে প্যারাগুয়ে, আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিলের ভয়াবহ বন্যা এবং উত্তর গোলার্ধের ভয়াবহ উষ্ণতাও এল নিনোরই ফলাফল।
 
এল নিনোর প্রভাবে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো তীব্র খরায় পড়লো আফ্রিকা। মহাদেশটির দক্ষিণ এবং পূর্বাঞ্চল সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত। এসব এলাকার ফসল প্রায় সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে গেছে।
 
এসব এলাকার প্রায় ৩ কোটি ১০ লাখ মানুষের এখনই খাদ্যের প্রয়োজন। এছাড়া আরও প্রায় ২ কোটি মানুষের কাছে থাকা খাদ্য শস্য চলতি বছরের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে।
 
জাতিসংঘের মতে, ইথিওপিয়ায় আরও ১ কোটি, দক্ষিণ সুদানে ৬০ লাখ এবং ইয়েমেনে ৫০ লাখ মানুষ খরা এবং বন্যার কারণে অনাহারে রয়েছেন। ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম জানায়, ৩০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ এল নিনো আগামী মাসে শেষ হতে চলেছে। তবে তার প্রভাব আরও বেশ কয়েক মাস ধরে থাকবে। দ্য গার্ডিয়ান।