জনপ্রিয়তার দৌড়ে টুইটারকে ছাড়িয়েছে স্ন্যাপচ্যাট। বর্তমানে দৈনিক ১৫০ মিলিয়ন মানুষ ফটো শেয়ারের এই অ্যাপ ব্যবহার করেন, যেখানে দৈনিক প্রায় ১৪০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী ক্ষুদে ব্লগ লেখার সাইটটি ব্যবহার করেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্ন্যাপচ্যাটের একাধিক কর্মকর্তা তাদের দৈনিক ব্যবহারকারীর সংখ্যার তথ্য জানিয়েছেন।
সূত্রের দাবি, দিন দিন ব্যাপকভাবে ব্যবহারকারী বাড়ছে স্ন্যাপচ্যাটের। বিশেষ করে, বিপুল পরিমাণ তরুণ-তরুণী আসছেন অ্যাপটিতে। গত ডিসেম্বরে অ্যাপটি ১১০ মিলিয়ন দৈনিক ব্যবহারকারীর মাইলফলক স্পর্শ করে। আর মাত্র পাঁচ মাসের ব্যবধানে বর্তমানে এই সংখ্যা ১৫০ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে।
২০০৬ সালে যাত্রা শুরু হয় টুইটারের। ব্লুমবার্গের তথ্যমতে, বর্তমানে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটটির দৈনিক ব্যবহারকারী প্রায় ১৪০ মিলিয়ন।
টুইটারের দেয়া সর্বশেষ হিসাব মতে, এর মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী ৩১০ মিলিয়ন। তবে দৈনিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানায়নি সংশ্লিষ্টরা। জ্যাক ডরসির নেতৃত্বে থাকা সাইটটির পক্ষ থেকে তৃতীয় প্রান্তিকে শুধু বলা হয়, এর মোট মাসিক ব্যবহারকারীর প্রায় ৪৪ শতাংশ দিনে একবার হলেও সাইটটিতে ঢুঁ মারেন।
সম্প্রতি টাইম ডটকম এক খবরে জানায়, বর্তমানে স্ন্যাপচ্যাটের বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৮০০ কোটি ডলার।
শুধু তাই নয়, শিগগিরই ২ হাজার কোটি ডলার বাজারমূল্য অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে এ প্রতিষ্ঠান, ধারণা বিশ্লেষকদের।
দিন দিন গ্রাহক সংখ্যা বাড়ছে স্ন্যাপচ্যাটের। এতে অ্যাপটির পেছনে অর্থ ঢালতে কসুর করছেন না বিনিয়োগকারীরা। আর এ কারণে গত এক বছরে ১৮০ কোটি ডলার নতুন তহবিল সংগ্রহে সমর্থ হয়েছেন স্ন্যাপচ্যাটের প্রতিষ্ঠাতা ইভান স্পিগেল।
২০১১ সালে স্ন্যাপচ্যাট প্রতিষ্ঠা করেন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ছাত্র। স্ন্যাপচ্যাটের মাধ্যমে ফটো মেসেজ পাঠানো হলে প্রাপক মেসেজটি দেখার পর তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায়। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে তরুণদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় এই অ্যাপ। সূত্র- এনডিটিভি।
