ভারতের এক শিক্ষার্থীকে র্যাগিংয়ের নামে টয়লেট ক্লিনার খেতে বাধ্য করার পরে দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা হয়েছে। জানা গেছে র্যাগিংয়ের শিকার শিক্ষার্থী একজন দলিত সম্প্রদায়ের নারী।
ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকের আল কামার নার্সিং কলেজে। আসওয়াথিকে তার সিনিয়ররা টয়লেট ক্লিনার খেতে বাধ্য করে। আর সেই পানি পান করে তার খাদ্যনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সেটি ঠিক করতে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হবে।
দলিতরা ভারতের বর্ণপ্রথার সবার নিচে অবস্থান করে, আগে তাদের অস্পৃশ্য বলা হতো। তবে আসওয়াথির কলেজ র্যাগিংয়ের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ‘পারিবারিক সমস্যার’ কারণে সে নিজেই এসিড খেয়েছে।
আসওয়াথি তার উকিলের কাছে লেখা চিঠিতে বলেছেন, তাকে জোর করে জাপটে ধরে রেখে দুইজন টয়লেট পরিষ্কার করার তরল খেতে বাধ্য করে। এছাড়া তার গায়ের কালো রং এবং তার বাবার পরিবার ছেড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়েও ওই সিনিয়ররা হাসি-তামাশা করে।
চিঠিতে আসওয়াথি লিখেন, তারা আমাকে নির্যাতন করে, আমাকে ‘কালো মেয়ে’ ‘কয়লা’ বলে এবং বলে আমার চেহারা তাদের ভীত করে। তারা আমার রুমে এসে বলে আমি একগুয়ে এবং টয়লেট ক্লিনার খেতে বাধ্য করে। তবে আসওয়াথির কলেজ প্রিন্সিপাল ইসথার রাণি র্যাগিংয়ের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পারিবারিক ঝামেলার কারণে সে এসিড খেয়েছে। কোনো র্যাগিং হয়নি। বিবিসি।
