ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার পর অনেকটা আকস্মিকভাবেই পদত্যাগের ঘোষণা দেন যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। সেইসাথে নেতৃত্বের ভার অন্যের হাতে সোপর্দ করে ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট ছাড়ার কথাও জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। আসছে ২ অক্টোবরে দলীয় সম্মেলনে পরবর্তী নেতৃত্ব কার হাতে যাচ্ছে? —এ নিয়ে জল্পনা-কল্পনা ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এ তালিকায় উঠে আসছে অনেকরই নাম।
বরিস জনসন
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে ইতোমধ্যেই বিশেষ করে বুকিদের জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস জনসন। সাংবাদিক থেকে রক্ষণশীল দলের রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা ৫২ বছর বয়সী জনসন ব্রিটিশ রাজনীতিতে পরিচিত একটি নাম। তার রীতিবিরুদ্ধ রাজনৈতিক আচরণ, ক্যারিশমাটিক ক্ষমতা তাকে ঘরে ঘরে জনপ্রিয় করে তুলেছে। কনজারভেটিভ এমপিরা মনে করেন, দেশের শাসনকার্য পরিচালনায় তিনিই সঠিক ব্যক্তি, যার বিচারিক ক্ষমতাও প্রখর।
তেরেসা মে
জনপ্রিয়তায় জনসনের চেয়ে কোনো অংশে কম পিছিয়ে নেই তেরেসা মে। ৬০ ছুঁই ছুঁই এই নারী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা দীর্ঘতম শাসকদের মধ্যে অন্যতম একজন। এ মন্ত্রণালয়ের অগণিত সমস্যার সমাধান করেছেন তিনি। তবে মনে করা হয়, এখনো রাজনৈতিক দীক্ষা নেওয়া শেষ হয়নি তার।
স্টিফেন ক্রাব
তাকে বলা হয় কনজারভেটিভ পার্টির উদীয়মান তারকা। এ প্রজন্মের প্রতিনিধিত্বকারী প্রথম ক্যাবিনেট মন্ত্রী। গত বুধবার বাণিজ্যমন্ত্রী সাজিদ জাভিদের সাথে ৪৩ বছর বয়সী স্টিফেন দেশের নেতৃত্বের দৌড়ে নিজের নাম ঘোষণা করেন। তারা দুজনই যুক্তরাজ্যের ইইউ’তে থাকার পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিলেন। ২০০৫ সালে তিনি পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হন।
জন ব্যারেন
এসেক্সের বেসিল্ডন ও বিলিরিসে থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য জন ব্যারন। বয়স ৫৭। গণভোটের প্রতি প্রতিশ্রুতির জায়গা থেকে এই টরি নেতাকে কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্ব সূত্র: বিবিসি
