প্রতিবেশী ভারত-পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশের গুলশানে একটি ক্যাফেতে রাতে হামলার ঘটনা। বেশ কিছু গণমাধ্যম জানাচ্ছে ইসলামিক স্টেট (আইএস) নামধারী জঙ্গিগোষ্ঠী এই হামলার জন্য দায়ী, তবে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এদিকে বাংলাদেশে হামলার এই ঘটনা স্থান করে নিয়েছে প্রতিবেশ দেশগুলোর শীর্ষ শিরোনাম হিসেবে।
ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়া তাদের শীর্ষ নিউজে থাকা লাইভ আপডেট থেকে জানায়, ভারত ও জাপানের নাগরিকসহ মোট ১৩ জনকে উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে র্যাবের ল্যাফটেনেন্ট কর্নেল মাসুদ। ভারতের এই গণমাধ্যমটি পৃথক আরো দুটি প্রতিবেদন করেছে। সেখানে তারা জানায়, এই হামলার দায় স্বীকার করেছে আইএস এবং হামলা চালানোর সময় হামলাকারীরা 'আল্লাহু আকবার' বলে হামলা চালায়।
দেশটির অপর গণমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, বাংলাদেশের কূটনৈতিক কেন্দ্রে ভারি অস্ত্রসহ হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। বিদেশিদের কাছে জনপ্রিয় একটি রেস্তোরায় চালানো এই হামলায় বেশ কিছু মানুষকে জিম্মি করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুইজন পুলিশ সদস্য মারা গেছে এবং ২৬ জন আহত হয়েছে। তাদের পৃথক একটি সংবাদে স্থান করে নিয়েছে সাতক্ষিরায় পুরোহিতকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনা।

পাকিস্তানের ডন পত্রিকাটি জানায়, জিম্মিদের উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ। এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু সেখানে কতজন বন্দুকধারী এবং কতজন জিম্মি রয়েছেন তা সুনিশ্চিত নয়। জিম্মিদের মধ্যে ভারতীয় ও ইতালিয়ান নাগরিক আছে বলেও জানায় তারা।
শ্রীলঙ্কার ডেইলি মিরর জানায়, বাংলাদেশের কূটনৈতিক এলাকায় সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে কিছু মানুষকে জিম্মি করেছে। সেখানে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। পৃথক এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাংলাদেশে অবস্থিত শ্রীলঙ্কান নাগরিকদের খোঁজ নিচ্ছে ঢাকায় অবস্থিত লঙ্কান হাইকমিশন।
