কলকাতায় আইএস সন্দেহে মসিউদ্দিন মিয়া নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ। সোমবার রাতে বর্ধমান স্টেশনে আটক করা হয়। পরে মঙ্গলবার বিকেলে সিআইডি তাকে গ্রেফতার করে
২৮ বছর বয়সী ওই যুবক বীরভূমের লাভপুরের বাসিন্দা। সেখান থেকে আনা হয় ভবানী ভবনে
গত দেড় বছরে এনিয়ে পশ্চিমবঙ্গের তিনজনকে আইএসে জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার করা হলো।
গোয়েন্দাদের একটি সূত্রের দাবি, বাংলাদেশের দুই সন্দেহভাজন আইএস জঙ্গির সঙ্গে মুসার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। আর সিরিয়া থেকে সোশ্যাল মিডিয়া এবং ই-মেইলের মাধ্যমে তার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখত আইএসের অন্যতম শীর্ষনেতা শফি আরমার।
কর্নাটকের ভটকলের বাসিন্দা শফির উপরে সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে সংগঠনের কাজকর্ম দেখার দায়িত্ব। সিরিয়ায় আইএসের সদর দফতর হিসেবে গণ্য রাকা থেকে মুসার কাছে টাকাও পাঠানো হয়েছে বলে ধারণা গোয়েন্দাদের একাংশের।
তদন্তকারীরা প্রাথমিক ভাবে জেনেছেন, সিরিয়ায় আইএস নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কলকাতায় নাশকতা ঘটানোর ছক ছিল মুসা ও তার সহযোগীদের। তার সঙ্গীদের খোঁজ চলছে। কোনও রাজনীতিবিদকে তারা ‘টার্গেট’ করেছিল, এমন আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।
আটককৃত মুসার কাছ থেকে ১৩ ইঞ্চি লম্বা একটি ধারালো ছোরা এবং তিন রাউন্ড গুলি-সহ একটি দেশি বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তার মোবাইল ফোনটি।’
মুসার মোবাইল ফোন থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সূত্র ইতিমধ্যেই পেয়েছেন গোয়েন্দারা। আপাতত তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
ওই যুবক বছর পাঁচেক ধরে স্ত্রী ও দুই কন্যাকে নিয়ে তামিলনাড়ুতে ছিল। তামিলনাড়ু-সহ দক্ষিণ ভারতের বিস্তীর্ণ অংশে আইএসের প্রভাব বিস্তারের কথা গোয়েন্দাদের অজানা নয়। তাঁদের ধারণা, সেখানেই আইএসের কোনও মডিউলের (শাখা) সঙ্গে মুসার যোগাযোগ হয়েছিল, পরে সাইবার-মাধ্যমে তার মগজধোলাই করেছিল শফি আরমার। আনন্দবাজার
